Search

টিয়া পাখির পালন পদ্ধতি

Post by
আমাদের মধ্যে অনেকেই শখের বসতে নানান ধরণের পাখি পুষে থাকে। এদের মধ্যে আজকাল মানুষ যে পাখিটিকে বেশি পালন করা শুরু করেছে তা হোল টিয়া পাখি। এই প্রজাতির পাখিরা সত্যই এখন খুব পরিচিত এবং জনপ্রিয় পাখি। সবুজ টিয়া সাবলীলভাবে পোষা প্রাণী হিসাবে ধরা যায় এবং এটি কথা শিখার পর মানুষের মতো কথা বলতে পারে। এরা সাধারণত বনজঙ্গল, জলাশয় অঞ্চল, বিস্তীর্ণ লোকালয়, পাতা ঝরাবন, বৃক্ষবহুল এলাকা, পাহাড়ী এলাকা, চা-বাগান, চাষের জমি, পুরানো বাড়ি ইত্যাদি এলাকায় বেশি বসবাস করে। টিয়া পাখি পালন করে সফল হওয়া ব্যবসায়ীদের সংখ্যা অসংখ্য। আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটিকে ফলো করে আমাদের সাথেই থাকুনঃ যাচ্ছেতাই টিয়া পাখির খাঁচার মাপঃ আজকাল টিয়া পাখি (Parrot) পালার প্রবণতা এতটা বেরে গিয়েছে যে মানুষ এখন নিজের ঘরে অল্প জায়গার মধ্যে এই পাখিটি পালা শুরু করেছে। যেহেতু টিয়া পাখির খাঁচা খুব একটা বেশি জায়গা দখল করে না। তাই মানুষ এই পাখিকে বিভিন্ন জায়গায় পালন করা শুরু করেছে। কেউ কেউ খাঁচা বারান্দায় রাখে আবার কেউ কেউ রুমে খাঁচা রেখে এই পাখি পালন করে। এই টিয়া পাখির খাঁচার মাপ হচ্ছে ৪/৪/৪ ফিট। এই খাঁচার মাপ বেশি দিতে পারলে আরও ভালো হয়। টিয়া পাখির খাবার তালিকাঃ (Parrot food) এই পাখিটি মানুষের মত কথা বলতে পারলেও এই পাখিটি মানুষের মত সব ধরণের খাবার গ্রহন করেতে পারেনা। অন্যান্য পাখির মত এই পাখিরও নির্দিষ্ট কিছু খাবার রয়েছে যার তালিকা নিন্মে দেয়া হল আর এই তালিকার মধ্যে আমরা টিয়া পাখির সব ভালো খাবার (Best Parrot Food) এর নাম উল্লেখ করছিঃ ১/সিড মিক্স (Seed mix) ২/ধান ৩/সূর্যমুখীর বীজ (Sunflower seeds) ৪/কুসুম বীজি ৫/চিনা বা কাউন (China) ৬/মিলেট মিক্স সিড ৭/ হেম্পসীড ৮/ ক্যানারি ৯/ কালো জিরা টিয়া পাখির নরম খাবারের (Soft Food) তালিকাঃ টিয়া পাখির প্রাথমিক খাবারের (Parrot Food) বাইরে যে সকল খাবার পাখিকে একটু বেশি ভিটামিন যেমন কেলসিয়াম, পটাসিয়াম, মিনারেল, প্রটিন ইত্যাদি দিতে পারে তাদেরকে আমরা নরম খাবার এর মধ্যে রেখেছি। এই নরম খাবার বা Soft Food এর তালিকায় যে সকল খাদ্য পরেছে তাহোল ১/ কলমি শাক /আলু শাক /পালং শাক /লাল শাক ইত্যাদি খাবার পাখির শরীরে অনেক বেশি পরিমানে ক্যালসিয়াম এর যোগান দেয়। তাই এই শাঁক গুলো পাখিকে সপ্তাহে ১দিন করে দিতে পারেন। এই শাঁক গুলো পাখির শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে তাই গ্রীষ্মকালীন সময়ে পাখিকে বেশি বেশি শাঁক খাওাতে হবে। ২/ বিভিন্ন সবজি যেমন গাজর, মিস্টি কুমড়া, পেঁপে, বরবটি, শশা, কপি, করল্লা,কাঁচা মরিচ একসাথে মিশিয়ে সিদ্ধ করে সপ্তাহে ১দিন আর কাঁচা সপ্তাহে ১দিন দিবেন। যার ফলে পাখির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বারবে আর পাখির শরীরও ঠাণ্ডা থাকবে। পাখির শরীরে মেদ বা চর্বি কম হবে। সবুজ শাঁক সবজি সকল ধরণের পাখির শরীরকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এই সবজি গুলোর মধ্যে সবুজ কাঁচা মরিচ টিয়া পাখির সবচেয়ে বেশি পছন্দের খাবার। এরা এই কাঁচা মরিচকে আস্তা খেতে পছন্দ করে। ৩/ গম, ছোলা, ডাবলি, সবুজ মুগ ডাল ভিজিয়ে নরম করে টিয়া পাখিকে সপ্তাহে ২দিন করে দিতে হবে। ৪/ বিভিন্ন ডাল জাতীয় খাবার অথবা মিক্সসিড যেমন্ মুগ ডাল, বুটের ডাল ,মশুর ডাল সিদ্ধ করে ১৫দিন পর পর ১দিন অথবা ১ বার করে দিতে হবে। এবং সিদ্ধ ভুট্টা ১৫দিনে ২দিন করে দেওয়া যাবে, আর আস্তা ভুট্টা টিয়া পাখিদের প্রিয় খাবার। ৫/ নিম পাতা, সজনে পাতা, এলভেরা, তুলসী পাতা, থানকুনি পাতা, ধনে পাতা, লেটুস পাতা এইগুলো মাঝে মাঝে পাখিকে দিতে হবে। নিম পাতা, সাজনে পাতা, তুলসী পাতা এইগুলো পাখির নানান ধরণের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। ৬/ গরম পড়লে ডাবের পানি, লেবুর পানি, গ্লুকোজের পানি বা সেলাইন যেকোনো একটা পানিয় পাখিকে দিতে হবে। ফল বা ফলের ব্লেন্ড করে পাখিকে জুস হিসাবে দিতে পারেন। এইগুলো পাখি অনেক মজা করে খায়। আরও চাইলে এক কাপ পানিতে এক চিমটি পরিমাণ টক দই মিশিয়ে মাসে তিনদিন করে পাখিকে দিতে পারেন। টিয়া পাখির যত্নঃ টিয়া পাখিকে সপ্তাহে একদিন টীমসেন ঔষধ ১ লিটার পানিতে ১ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। রাতে পাতলা সুতি কাপড় দিয়ে পাখির খাঁচাকে ঢেকে রাখতে হবে আর সামান্য ফাঁকা রাখতে হবে। বৃষ্টির পানি আর অতিরিক্ত রোদ থেকে পাখিকে সরিয়ে রাখতে হবে। পাখিকে খোলা মেলা আলো বাতাস পূর্ণ জায়গায় রাখতে হবে। সপ্তাহে একদিন করে পাখির খাঁচার ট্রে পরিষ্কার করতে হবে। ইঁদুর, বিড়াল, কাক, মশা, ফ্যান ইত্যাদি থেকে পাখিকে দূরে রাখতে হবে। মাঝে মাঝে ফ্যান বন্ধ করে দরজা জানালা লাগিয়ে পাখিকে বদ্ধ রুমে ছেড়ে দিবেন যার ফলে পাখি উড়া উড়ি করতে পারবে। আর উড়া উড়ি করলে পাখির সাস্থ্য ভালো থাকবে। গরমে সপ্তাহে তিনদিন একটি বড় বাটিতে পাখির গোসলের পানি দিতে হবে। আর শীতে একদিন দিলেই হবে। আর পানি সকাল ১০/১১টার দিকে দিয়ে ১/২টার দিকে সরিয়ে ফেলতে হবে। এই পানিতে নিমপাতা, এলভেরা বা পেয়ারা পাতা দিলে পাখির পালক সুন্দর থাকবে। টিয়া পাখির দাম কতঃ (Parrot price in Bangladesh) স্থান ভেদে আর মিউটেশন ভেদে এই পাখির দাম বিভিন্ন রকম হতে পারে। যেহেতু টিয়া পাখির আয়ুকাল বা আয়ুসীমা অনেক বেশি তাই এদের পালার মত লোকের কোন অভাব নেই (টিয়া পাখির গর আয়ু বা Parrot Iifespan ৯৫ বছর)। আর এই পাখির কালার কম্বিনেশনের জন্য দিন দিন এই পাখির চাহিদা ও দাম বেড়েই যাচ্ছে। 

কথা বলা পাখি কোন গুলো 

Post by
হেলো ভিউয়ারস আজকে আমরা কথা বলতে পারে এমন সব পাখি নিয়ে আলোচনা করবো। আলোচনা করবো সেসব পাখি নিয়ে যাদের চাহিদাও পাখি পালকদের মধ্যে সবসময়ই অনেক বেশি থাকে। কথা বলা পাখির প্রতি সব সময়ই পাখি পালকদের আলাদা একটা আকর্ষণ রয়েছে। আমাদের আজকের তালিকার মধ্যে যে সকল পাখি পরেছে সেই সব পাখির নাম হচ্ছে সবুজ-লাল তোতা, রিংড তোতা, ম্যাকাও, কাকাতুয়া পাখি, ময়না পাখি ইত্যাদি। তো চলুন কথা না বারিয়ে শুরু করা জাক আমাদের আজকের এই ব্লগ পোস্টটি। কথা বলা আভিজাত্য সবুজ-লাল তোতা পাখিঃ পাপুয়া নিউ গিনির এই স্থায়ী বা বসবাসকারী পাখিকে বিশ্বের অন্যতম সুন্দর তোতা পাখি হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এই আভিজাত্য সবুজ-লাল তোতা পাখিগুলোর মধ্যে পুরুষ পাখিদের গায়ে একটি উজ্জ্বল সবুজ রঙ থাকে, এবং স্ত্রী পাখি গুলোতে পালকটি লাল-ভায়োলেট হয়। পুরুষদের ঠোঁটের মধ্যে একটি কমলা-হলুদ বর্ণ থাকে এবং স্ত্রী পাখিদের মধ্যে কালো বর্ণ থাকে। আর এই পাখিগুলো বাড়িতে রাখার জন্য একেবারেই আদর্শ, কারণ এরা খুব শান্ত এবং বন্ধুত্বপূর্ণ প্রকৃতির হয়ে থাকে। এর নিজেদের মালিককে অনুকরণ করে নানা শব্দ শিখে এবং আস্তে আস্তে তারা এইভাবে কথা বলা শিখে ফেলে। আপনি চাইলে আমাদের অন্যান্য ব্লগ গুলো পড়তে পারেনঃ জেব্রা ফিঞ্চ পাখি-Zebra finch কথা বলা ভারতীয় রিংড তোতা পাখিঃ নেকলেস তোতা পোষা পাখিটি প্রাণী হিসাবে শতাব্দী ধরে মানুষের সাথে বসবাস করে তাই আজ এটি একটি প্রিয় সহচর পাখি হিসাবে আমাদের মাঝে রয়ে গেছে। এটি একটি স্বভাবজাত পাখি যার জন্য অনেক মনোযোগ প্রয়োজন। তবুও, রঙিত এই তোতা পাখিটি  মালিককে অনেক বেশি তার প্রতি আকর্ষণীয় করে তুলে আর আনন্দিত করে। এই ভারতীয় রিংড তোতা পাখির যে সকল গুণাবলী রয়েছে তা হল- খেলাধুলায় প্রাচুর্য এবং কথা বলার দুর্দান্ত ক্ষমতা দিয়ে আপনাকে তার প্রতি আরও বেশি অবাক ও আকর্ষণীয় করে তুলবে, এই পাখিকে আপনাকে অন্যান্য পাখির মত বেশি সময় দিতে হবে না। কথা বলা ম্যাকাওঃ পৃথিবীর সবচেয়ে দামি পাখি হচ্ছে ম্যাকাও। এই ম্যাকাও পাখিও পেরাকিট জাতীয় অথবা তোতা পাখির মত। এই পাখি গুলো যখন কথা বলে তখন মনে হয় কথা বলাটা এই পাখিদের অধিকার। পোষ্য পাখিদের মধ্যে ম্যাকাও হল সবচেয়ে বড় আর জনপ্রিয় ধরণের একটি পাখি ৷ তাই ম্যাকাওকে স্বপ্নের পাখি বা ড্রিম বার্ডও বলা হয় ৷ তবে ম্যাকাও হচ্ছে খুবই দামি একটি পাখি ৷ সাধারণত ১৯ মিউটেসনের ম্যাকাও পাখিটি হয়ে থাকে ৷ কিন্তু এখন এদের মধ্যে খালি ৬ ধরণের ম্যাকাও পাখি পাওয়া যায় আর বাকি প্রজাতির ম্যাকাও পাখি গুলো বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। পোষ্য হিসেবে আমরা যে ম্যাকাও গুলো দেখে থাকি সেগুলো হাইব্রিড হয়ে থাকে। এই পাখি গুলো নিজের মালিকের কাছে থেকে কথা শিখার পর ভালোই কথা বলতে পারে। সাধারণত নানা ধরণের ম্যাকাও পাখি পাওয়া যায়। উল্লেখযোগ্য হল লাল আর সবুজের মিশ্রন,হলুদ-লালের মিশ্রন আর নীল এবং সোনালী রঙের মিশ্রন৷ গাঢ় উজ্জ্বল রঙের জন্যই এদের দেখতে অনেক ভালো লাগে ৷ ম্যাকাও-এর আকার হয় মোটামুটি ১ থেকে ৩ ফুট ৷ এদের গড় আয়ু হয় ৫০ বছর এর কাছাকাছি । আপনি চাইলে আমাদের অন্যান্য ব্লগ গুলো পড়তে পারেনঃ Birds of Bangladesh কথা বলা কাকাতুয়া পাখিঃ কাকাতুয়া পাখি হচ্ছে পাখালদের কাছে প্রিয় একটি নাম। এই কাকাতুয়া পাখির দাম তোতা পাখির মত না হলেও এর দাম কিন্তু কম নয়। ২১ টি প্রজাতির মধ্যে প্রায় সকল কাকাতুয়ারই কম বেশী আকর্ষণীয় পালক, ঝুটি এবং শক্তিশালী বাঁকানো ঠোঁট রয়েছে। এই পাখিদের কথা বলা এবং অনুকরনের অসাধারণ দক্ষতা রয়েছে। কাকাতুয়ার অধিকাংশ প্রজাতিই সাদা রং-এর হয়ে থাকে। কিন্তু কিছু প্রজাতির পাখির গায়ের রঙ ধূসর, খয়েরী, উজ্জল কালো বর্ণের হয়ে থাকে। সব থেকে বড় কাকাতুয়া পাখির দৈর্ঘ্যে ৩০ থেকে ৬০ সেন্টিমিটার এবং এদের ওজন ৩০০ থেকে ১,২০০ গ্রাম হয়ে থাকে। এরা অনেক সহজ লভ্য হয়। কথা বলা ময়না পাখিঃ ময়না পাখির নাম শুনেনি এমন মানুষ বোধকরি আমাদের দেশে খুবই কম আছেন। সারা পৃথিবীতে এক বিশাল এলাকাজুড়ে এই পাখির আবাসস্থল প্রায় ৩৯ লাখ ৯০ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এদের আবাস। ময়না মাঝারি কালো রঙের পাখি। এদের দৈর্ঘ্য কমবেশি ২৯ সেমি। ডানা ১৭ সেমি, ঠোঁট ৩ সেমি, পা ৩.৫ সেমি, লেজ ৮ সেমি ও ওজন ২১০ গ্রাম। ময়না পাখিরা অনেক আকর্ষণীয় কারণ এরা তাদের মালিককে অনেকটা অনুকরণ করে। এরা তাদের মালিক থেকে কথা বলাও শিখে থাকে তাই এদের চাহিদা অনেক বেশি। কিছু বছর পূর্বে এদের এতটা চাহিদা না থাকলেও এখন এদের চাহিদা অনেক বেরে গিয়েছে । সো ভিউয়ারস আমাদের আজকের ব্লগ পোস্টটি এতুটুকই যদি আমাদের পোস্ট টি ভালো লেগে থাকে তাহলে আমাদের ব্লগ পোস্ট টিকে লাইক করে আমাদের পূর্বের পোস্ট গুলো পড়তে পারেন।

Birds of Bangladesh

Post by
বাংলাদেশে পাখি (Birds of Bangladesh) দেখা আপনি যা কল্পনা করতে পারেন তার বাইরে। এখানে বসবাসকারী, ক্ষণস্থায়ী এবং মাঝে মাঝে দেখা যাওয়া পাখির সম্পদ আমাদের অঞ্চলটিকে সারা বিশ্বের পক্ষীবিদদের জন্য স্বর্গে পরিণত করেছে। আর বুলবুল, জে-বার্ড, রবিন, সাধারণ খেলার পাখি, কোকিল, বাজপাখি, হাঁস, পেঁচা এবং আরও অনেক ধরণের পাখি হল বাংলাদেশের প্রকৃতপক্ষে বসবাসকারী পাখি। আপনি চাইলে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি ঘুরে আসতে পারেনঃযাচ্ছেতাই বাংলাদেশের পাখির (Birds of Bangladesh) তালিকায় মোট ৬৫০টি পাখিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সমস্ত পাখিদের মধ্যে গত দুই শতকে অনেক পাখি প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে তাদেরকে বাদ দিয়ে এখন বাংলাদেশে মোট ৬২০টি পাখি রয়েছে। এই ৬৫০টি পাখির মধ্যে প্রায় ২৯ ধরণের পাখির বাংলাদেশে এখন না পাওয়া গেলেও সারা বিশ্বে পাওয়া যায়। এদের মধ্যে ১ ধরণের পাখি সারা বিশ্ব থেকে বিলুপ্ত হয়েগিয়েছে সেই পাখিটির নাম হলঃ গলাপি শির হাঁস। এই ৬২০টি প্রজাতির মধ্যে ১৪৩টি প্রজাতির পাখি বাংলাদেশে 'অনিয়মিত' আখ্যায়িত হয়েছে, কারণ কালেভদ্রে এদের দেখা যায়। বাকি ৪৭৭ প্রজাতির পাখি বাংলাদেশে (Birds of Bangladesh) নিয়মিত দেখা যায়। এই ৪৭৭ প্রজাতির মধ্যে ৩০১টি বাংলাদেশের 'আবাসিক' পাখি যেগুলো স্থায়ীভাবে এ দেশে বাস করে। বাকি ১৭৬টি বাংলাদেশের 'পরিযায়ী' পাখি যেগুলো খণ্ডকালের জন্য নিয়মিতভাবে এ দেশে থাকে। এই ১৭৬ প্রজাতির নিয়মিত আগন্তুকের মধ্যে ১৬০টি শীতে এবং ৬টি গ্রীষ্মে বাংলাদেশে থাকে; বাকি ১০টি বসন্তে এদেশে থাকে যাদেরকে 'পান্থ-পরিযায়ী' নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ৭৪৪টি পাখির মধ্যে বাকি রইল ১৯৪টি পাখি। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন লেখক বাংলাদেশে এ সব পাখির অস্তিত্ব থাকতে পারে বললে অনুমান করেছেন, কিন্তু কোন অকাট্য প্রমাণ দেখাতে পারেননি বা পরবর্তীতে এদেরকে এ অঞ্চলে কখনো দেখা যায় নি। এসব পাখিকেও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আজকে আমরা সেই সব পাখি নিয়ে আলোচনা করবো যা আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে দেখতে পাইঃ দোয়েল পাখি (Birds of Bangladesh): দোয়েল পাখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারতের জনবসতির আশেপাশে দেখতে পাওয়া একটি জনপ্রিয় পাখি। এছাড়াও এর আকার-আকৃতি একে সবার থেকে ভিন্ন ও আলাদা করে রেখেছে। দোয়েল (Birds of Bangladesh) হচ্ছে অস্থির ধরণের পাখি। দোয়েল পাখিকে অস্থির বলার কারণ হচ্ছে এই পাখিটিকে সর্বদা গাছের ডালে বা মাটিতে লাফাতে দেখা যায় খাবারের খোঁজে। এই পাখিটি বাংলাদেশের জাতীয় পাখি। আর এই পাখিটির কলকাকলি খুব ভোরেই শোনাযায়। কালো তিতির (Birds of Bangladesh): কালো তিতির বা শেখ ফরিদ বা কালা তিতির এই পাখিটির প্রধান আবাসস্থল হচ্ছে আফগানিস্তান, ইসরাইল, ভুটান, জর্ডান, পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশ আরও বিভিন্ন দেশ রয়েছে। বাংলাদেশের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের পাতাঝরা বন আর রাজশাহী বিভাগের উত্তর প্রান্তের গ্রামঞ্চলে এই পাখিটিকে যায়। এই পাখিটি প্রায় এখন সবদেশ থেকেই বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। তাই এই প্রজাতির পাখিটিকে Least Concern বা আশঙ্কাহীন বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই কালো তিতির পাখিকে কালচে বাদামী ভূচর পাখিও বলা হয়ে থাকে। এদের দৈর্ঘ্য কমবেশি ৩৪ সেন্টিমিটার, ওজন ৪৩০ গ্রাম, ডানা ১৫ সেন্টিমিটার, ঠোঁট ২.৪ সেন্টিমিটার, পা ৪.৮ সেন্টিমিটার ও লেজ ১০ সেন্টিমিটার। (Birds of Bangladesh) লালবুক কাঠকুড়ালি (Birds of Bangladesh): এই পাখিটি ভারতের উপমহাদেশে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার হিমালয় পর্বতমালায় পাওয়া যায়। এটি বাংলাদেশ (Birds of Bangladesh), ভুটান, কম্বোডিয়া, হংকং, ভারত, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, মায়ানমার, নেপাল, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত। এই পাখিটি বিশ্বের সব জায়গা থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেলেও এখনো ভারতের মেঘালয় রাজ্যে পাখিটি পাওয়া যায়। লালবুক কাঠকুড়ালি পাখিটি ১৯ থেকে ২৩ সেমি(৭.১থেকে ৯.১ইঞ্চি)। পুরুষ পাখির ঝুটি লাল ও স্ত্রী পাখির কালো। উভয় পাখির ডানা রং কালো ও সাদা। বড় বসন্ত বৌরি (Birds of Bangladesh): বাংলাদেশ (Birds of Bangladesh), ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস, ভিয়েতনাম এবং চীনের দক্ষিণাঞ্চল এই বড় বসন্ত বৌরি পাখিটির প্রধান বিচরণস্থল। এই পাখিটির সারা শরীর কলাপাতা-সবুজ।  স্ত্রী ও পুরুষ পাখি দেখতে একই রকম, কেবল কমবয়েসীগুলোর চেহারায় বয়স্কদের লাল-নীলের চাকচিক্য থাকে না। দৈর্ঘ্যে কমবেশি ২৫ সেন্টিমিটার।বড় বসন্ত বৌরির মুখাবয়ব, গলা ও বুকের উপরের দিক দৃষ্টি-আকর্ষী গাঢ় আসমানী নীল- যার জন্য এই প্রজাতিটির ইংরেজি নাম দেয়া হয়েছে Blue-throated Barbet। বড় বসন্ত বৌরি সাধারণত ছোট ছোট দলে একসাথে থাকে। অনেকসময় ৩০-৪০ জনের বড়বড় দলেও থাকতে দেখা যায়।(Birds of Bangladesh) কাও ধনেশ (Birds of Bangladesh): কাও ধনেশ পাখি হচ্ছে কাউ ধনেশ বা পাকড়া ধনেশ বিউসেরোটিডি পরিবার বা গোত্রের অন্তর্গত। এটি একটি মোটামুটি বৃহদাকার ধনেশ প্রজাতির পাখি। এই পাখিটির ইংরেজি নাম হচ্ছে Oriental Pied Hornbill বা Indian Pied Hornbill। এই পাখিটির দৈর্ঘ্য হচ্ছে ৯০ সেন্টিমিটার। এই পাখিটির ডানার পালকের ডগা এবং লেজের বাইরের পালকের আগার দিক সাদা। এই পাখির গলার নিচের পালকহীন নীল চামড়ার পট্টি থাকে। চোখের চারপাশে ও গলায় নীলাভ-সাদা চামড়া দেখা যায়। পা ও পায়ের পাতা স্লেট রঙের সবুজ এবং এই পাখির চোখের তারা লালচে।(Birds of Bangladesh) আপনি চাইলে আরও পড়তে পারেনঃ বাজরিগার (Bajrika Pakhi) এর খাবার তালিকা নীলকণ্ঠ পাখি (Birds of Bangladesh): এই পখিটির পোশাকি নাম হচ্ছে “ইন্ডিয়ান রোলার” আর এদের বিজ্ঞানসম্মত নাম “কোরাসিয়াস বেনঘালেনসিস”। আদরের নাম নীলকণ্ঠ পাখি। ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন অংশে এই পাখিদের পাওয়া যায়। মূলত ঘাসজমি ও ঝোপঝাড়ের বাসিন্দা এই পাখি। আকারে ছোট হলেও এই পাখিটি দেখতে বাহারি। বাংলার ঘাসজমিতে এই পাখির একটি প্রজাতিকে দেখে কার্ল লিনেয়াস এর নামকরণ করেছিলেন। এর বৈজ্ঞানিক নাম ‘কর্ভাস বেঙ্গালেনসিস’। ২৬ থেকে ২৭ সেন্টিমিটার লম্বা এই পাখির দেহ, লেজ ও ডানায় উজ্জ্বল নীল রঙের জৌলুস দেখার মতো। ভারতে যে নীলকণ্ঠ পাওয়া যায়, তার গলার কাছের অংশটি কিন্তু হাল্কা বাদামি। বরং, ইউরোপে এই পাখির যে প্রজাতি দেখা যায়, তাদের গলা ও বুকের অংশ নীল।এশিয়ার বিস্তৃত অংশে পাওয়া যায় নীলকণ্ঠ পাখি।(Birds of Bangladesh) সো ভিউয়ারস আমাদের আজকের ব্লগ পোস্টটি এতুটুকই যদি ব্লগটি ভালো লেগে থাকে এবং এই রকম আরও ব্লগ পোস্ট পড়তে চাইলে আমাদের ওয়েবসাইট টি ভিসিট করতে পারেনঃhttps://bajrigar.info/

বাজরিগার (Bajrika Pakhi) এর খাবার তালিকা:

Post by
বাজরিগার (Bajrika Pakhi) এর খাবার তালিকা: বাজরিগার পাখি (Bajrika Pakhi) হচ্ছে বর্তমানে পৃথিবীর অন্যতম জনপ্রিয় পোষা পাখি। এই বাজরিকা পাখি হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূল অঞ্চলে বসবাসকারী বনাঞ্চলের পাখি। এই পাখি নানান রঙের হওয়ায় দিন দিন এর পালনকারীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই যাচ্ছে । আর এই পাখি পালন করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এই পাখিকে খাঁচায় পালন করা যায়। আর যদি আপনি এই পাখিকে ভালো একটি পরিবেশ দিতে পারেন তাহলে এই পাখিটি আপনাকে আরও রঙ্গিন রঙ্গিন ছোট বাচ্চা পাখি উপহার দিবে। তবে এই পাখি লালন পালন করার কিছু নিয়ম আছে এই পোষা পাখিদেরকে (Bajrika Pakhi) পালন করতে একটু ভিন্ন নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। https://www.youtube.com/watch?v=xHB_CrdnpVI&t=85s সাধারণত যেই খাঁচায় এই বাজ্রিকা পাখি (Bajrika Pakhi) পালন করা হয়ে থাকে সেই খাঁচাটির একটি নির্দিষ্ট মাপ আছে যা উচ্চতায় ৭ থেকে ৮ ইঞ্চি লম্বা। আর এই খাঁচায় পালন করা পাখির ওজন ৩৫ থেকে ৪০ গ্রাম পর্যন্ত হয়। বাজরিগার পাখি (Bajrika Pakhi) প্রাকৃতিকভাবে সবুজ ও হলুদের সঙ্গে কালো রং এবং সাদা ও ধুসর কালারের হয়ে থাকে। এছাড়াও থাকে নীল, সাদা, হলুদ রং এর ছোপ। তবে আমি আজকে খুব সাধারণ একটি বিষয় নিয়ে কথা বলব, তা হল প্রতিদিন বাজরিগার (Bajrika Pakhi) এর খাবার বা সিডমিক্স এ কি কি থাকতে পারে এবং কি পরিমানে থাকতে পারে আর অন্যান্য কি খাবার দেয়া যেতে পারে এই পাখিদেরকে। আজকে আমরা বাজরিগার পাখির খাদ্য তালিকায় যেসকল শস্যদানা রাখা যায় তার ৫ কেজি খাবারের মিশ্রনের উপকরণ নিয়ে কথা বলবো। বাজরিগার (Bajrika Pakhi) এর খাবার: বাজরিগার (Bajrika Pakhi) এর খাবার তালিকা: এই ৫ কেজি সিডমিক্স খাবারে যেসকল উপকরণ থাকতে পারে তাহলো: কাউন-৩ কেজিচিনাঃ ০.৫ কেজিগুজি তিলঃ ০.২৫ কেজিপোলাও চালের ধানঃ ১ কেজিক্যানারি সিডঃ ০.২৫ কেজি এই খাবার গুলোর বাইরে পাখিকে অন্য কিছু দেয়ার দরকার নেই আর বেশি পরিমানে সূর্যমুখী বীজ দেয়া যাবেনা কারণ বেশি পরিমানে সূর্যমুখী বীজ দিলে তা পাখির শরীর এ ফ্যাট বাড়িয়ে তুলে। অন্যান্য খাবাবের মধ্যে পাখিকে আমরা যা যা দিতে পারি তাহলো: সিদ্ধ ডিমপালং শাককলমি https://www.youtube.com/watch?v=DqsJpgbchH0 শাক,বরবটি,মটরশুটি,গাজর,আপেল এগুলো পাখিকে কাচা খেতে দেয়া যায় মাঝে মাঝে । মাঝে মাঝে একটু খাটি মধু এবং ঘৃতকুমারির শাস পানিতে মিশিয়ে দিতে পারেন ।

Zebra finch-জেব্রা ফিঞ্চ পাখির (বয়স, ছেলে-মেয়ে নির্ধারণ এবং ব্রিডিং)

Post by
Zebra finch-জেব্রা ফিঞ্চ পাখির (বয়স, ছেলে-মেয়ে নির্ধারণ এবং ব্রিডিং) ভিউয়ারস আজকে আমরা জেব্রা ফিঞ্চ (Zebra finch) পাখির বয়স, ছেলে-মেয়ে নির্ধারণ এবং ব্রিডিং এই তিন টি ধাপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো এবং যতটা সম্ভব জেব্রা ফিঞ্চ পাখির পাখির বয়স, ছেলে-মেয়ে নির্ধারণ এবং ব্রিডিং ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করবো। তাই জেব্রা ফিঞ্ছ সম্পর্কে যানতে পুরো লেখাটা পড়ুন আর যদি পাখি সম্পর্কে আরও জানতে চান তাহলে আমাদের পূর্বের ব্লগ গুলো পরতে পারেনঃ জেব্রা ফিঞ্চ পাখি-Zebra finch ১। জেব্রা ফিঞ্ছ (Zebra finch) পাখির বয়স নির্ধারণ : ক. দেড় থেকে দুই মাস বয়সে প্রথম মোল্টিং হওয়ার আগ পর্যন্ত বাচ্চার চোখের নিচের কালো দাগ এবং লেজের ডোরাকাটা দাগটা অস্পষ্ট থাকে। তিন মাস বয়সের মধ্যে ফিঞ্চ পাখির মোল্টিং শেষ হয় এবং এই দুইটা জিনিসই স্পষ্ট ভাবে দেখা যায়। আর পাখির শরীরের রং ও উজ্জ্বল হতে থাকে। খ. মোল্টিং এর আগ পর্যন্ত সময় টা বাচ্চার ঠোট থাকে কালো বা গাড় বাদামী। আস্তে আস্তে কমলা বা লাল রং হতে থাকে এবং মোল্টিং শেষ হলে, অর্থাৎ ৩ মাস এর বেশি বয়স হয়ে গেলে দেখা যায় যে পাখির ঠোঁট টা টকটকে লাল বা কমলা রং ধারণ করে ফেলেছে। গ. ফিঞ্চ জাতের এ্যাডাল্ট পাখি একসাথে অনেকক্ষণ ধরে ডাকতে পারে, কিন্ত বাচ্চারা শুধু মৃদু সরে থেমে থেমে ডাকে। ভিউয়ারস আপনারা চাইলে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি ঘুরে আসতে পারেনঃ যাচ্ছেতাই ২। জেব্রা ফিঞ্ছ (Zebra finch) পাখির ছেলে-মেয়ে নির্ধারণ : ক. দুই মাসের কম বয়সী পাখির ক্ষেত্রে ছেলে-মেয়ে বোঝাটা বেশ কষ্টের। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে গাঢ় রং এর বাচ্চাগুলো ছেলে এবং হালকা রঙের বাচ্চাগুলো মেয়ে হতে দেখা যায়। খ. ফিঞ্চ পাখি (Zebra finch) এ্যাডাল্ট হওয়ার পর, অর্থাৎ তিন মাসের বেশি বয়সী পাখির ক্ষেত্রে ছেলেদের কানের অংশটা গাঢ় কমলা রঙের হয়ে থাকে, যাকে ইংরেজিতে "চিক" এবং বাংলায় দুল বা লতি বলা হয়। বুকে সাদা-কালো ফোটা ফোটা, পেট টা ধবধবে সাদা, ডানা দুটো গ্রে বা ধূসর রং, ডানার নিচ দিয়ে খয়েরি ও সাদা রং এর ছিটাফোটা কারুকার্য দেখা যায় ছেলে পাখিদের ক্ষেত্রে। তবে মেয়ে পাখির ক্ষেত্রে এসব কিছুই দেখা যায় না। সারা শরীরটাই এক ঢালা রং তবে লেজের ডোরাকাটা দাগ এবং চোখের নিচের কাল দাগ টা উপস্থিত থাকে। গ. ছেলেদের ঠোঁট হয় গাঢ় লাল রং এবং মেয়েদের ঠোঁট হালকা লাল বা কমলা রঙের হয়ে থাকে। ঘ. ছেলে ফিঞ্চ পাখিরা গলা ফুলিয়ে খুব জোরে জোরে একটানা ডাকতে পারে, এটা ফিমেলে পাখির পক্ষে সম্ভব না, ফিমেল ফিঞ্চ পাখিরা অনেকটা বাচ্চাদের মতই ডাকে। ৩। জেব্রা ফিঞ্ছ (Zebra finch) পাখির ব্রিডিং : জেব্রা ফিঞ্চ (Zebra finch) ৩ থেকে ৪ মাসের মধ্যে এডাল্ট হলেও অন্তত ৬ মাসের আগে ব্রিডে দেওয়া উচিৎ না, ফিমেল পাখির আরও ১-২ মাস বয়স বেশি হলে ভালো হয়। ব্রিডিং এর বেশ কয়েকটা ধাপ আছে। সব গুলোর দিকেই লক্ষ্য রাখা জরুরী। আমি নিচে সংক্ষেপে এর কয়েকটি ধাপ আলোচনা করলাম - ক. ফিঞ্চ পাখির মেটিং : আগে যেমনটা বললাম, ছেলে পাখি মেয়েটাকে আকর্ষণ করার জন্য তার সামনে গিয়ে এবং চারপাশ জুড়ে গলা ফুলিয়ে উচ্চস্বরে একটানা ডাকতে থাকে। মেয়েটা কবুল করলে শুভ কাজ সম্পন্ন হবে ! এসময় ওদেরকে যথেষ্ট পরিমাণে প্রাইভেসি দেওয়া জরুরী। খ. ফিঞ্চ পাখির নেস্ট বক্স বা হাড়ি : মেটিং করার আগে ( নেস্ট বক্স বা হাড়ি ) না দিয়ে থাকলেও মেটিং করতে দেখার সাথে সাথে অবশ্যই হাড়ি বা বক্স দিতে হবে। যথাসম্ভব উপরে বা খাঁচার ছাদের সাথে নেস্ট বক্স বা হাড়ি লাগিয়ে দিবেন। হাড়ি ব্যবহার করলে অবশ্যই উপরের মুখটি ঢেকে দিতে হবে, তবে খেয়াল রাখতে হবে যে পর্যাপ্ত  পরিমাণে আলো যেনো বক্সে প্রবেশ  করে আবার প্রাইভেসিও যেন না নষ্ট হয়। আপনি চাইলে আমাদের অন্যান্য ভিডিও গুলো দেখতে পারেনঃ https://www.youtube.com/watch?v=omzXVzbfCuc গ. ফিঞ্চ পাখির নেস্টিং ম্যাটেরিয়াল : ফিঞ্চ (Zebra finch) পাখির হাড়ি বা বক্সে নিজে থেকে কিছু দিতে যাবেন না। ওদের বাসা ওদেরকেই বানিয়ে নিতে দিন। বাসা বানানোর জন্য নেস্টিং ম্যাটেরিয়াল হিসেবে শুকনা দুর্বা ঘাস বেস্ট। একটা সমস্যার কথা অনেকেই বলেন যে,  ডিম বা বাচ্চা গায়েব হয়ে যায়। জানেন সেটা কেন হয়? আসলে যেকোন ফিঞ্চ নেস্টিং করতে, অর্থাৎ বাসা বানাতে খুব পছন্দ করে। সেজন্য ডিম পাড়া শুরু করার পরও তারা নেস্টিং করতেই থাকে, ফলে আগের ডিম গুলো নিচে চলে যায়, অনেক সময় চাপে ভেঙ্গেও যায়। আবার অতিরিক্ত নেস্টিং করার কারণে বাসার তলা টা হাড়ি বা বক্সের মুখের কাছে উঠে আসে এবং ডিম বা বাচ্চা সহজেই গড়িয়ে নিচে পড়ে যায়। এই সমস্যা গুলোর সমাধান হলোঃ নেস্টিং এর সময় প্রতিদিন মাত্র ১ মুঠ নেস্টিং ম্যাটেরিয়াল দিতে হবে এবং হাড়ি বা বক্সের মুখ থেকে অন্তত ১ ইঞ্চি নিচে থাকতেই নেস্টিং ম্যাটেরিয়ালের সরবরাহ বন্ধ করতে হবে। ঘ. ফিঞ্চ পাখির ডিম : মেটিং করার ১০ দিনের মধ্যেই মেয়ে পাখি ডিম পাড়া শুরু করে। সাদা রং এর ছোট্ট ছোট্ট ডিম, ওজন ১ গ্রামের চেয়েও কম। ১ টা ফিমেল ফিঞ্চ পাখি ৬ থেকে ৭টা পর্যন্ত ডিম পাড়তে পারে, প্রথম ২-৩ টা ডিম দেওয়ার পর শুরু হয় তাপ দেওয়া। ছেলে ও মেয়ে উভয়ে ডিমে তাপ দেয়। গরমের শুরুতেই অনেকে আমার কাছে অভিযোগ করেছিলেন যে, ফিঞ্চ (Zebra finch) ডিম থাকা সত্বেও বক্সে ঢুকছে না। অনেকে বলেছিলেন রাতে তা দেয়, কিন্ত দিনে দেয় না। এর কারণটা হল বক্সের মধ্যে বাতাস চলাচলের কোন সুযোগ নেই এবং পাখি ভিতরে বসলে নেস্টিং ম্যাটেরিয়ালের কারণে শরীর প্রচন্ড গরম হয়। আর এইসব ধরণের পাখি সাধারণত ৩০ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা পাখি সহ্য করতে পারে, কিন্ত তারপর আর এই পুচকি দের পক্ষে ওর মধ্যে টিকে থাকা সম্ভব হয় না। ভিউয়ারস আপনারা চাইলে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি ঘুরে আসতে পারেনঃ যাচ্ছেতাই সেজন্যই ওরা বাইরে বের হয়ে আসে এবং রাতের বেলা ঠান্ডা থাকে বলে আবার তাপ দেওয়া শুরু করে। ছোট্ট বাবু গুলোর যে কত কষ্ট হচ্ছে তা একবারও কেউ ভাবে না, উল্টা বলে পাখি খারাপ ! বেচে দিব ! হেনতেন কত কি !যাই হোক, এটা ঘটে বলেই গরমকালে পাখিকে ব্রিডিং এ দিতে নেই। আর দিলেও ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে । ঙ. ফিঞ্চ পাখির বাচ্চা : সবকিছু ঠিক থাকলে ১২-১৪ দিনের মধ্যেই ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয়। বাচ্চা গুলো থাকে একটু লোমশ টাইপের। বাচ্চাদের ৭-৮ দিনের মধ্যেই চোখ ফুটে যায়, তারপর ২০-২২ দিনের মধ্যে পালক মোটামুটি উঠে যায় এবং মাসখানেকের মধ্যেই বাচ্চা ভালোমত উড়তে শেখে। আর তখনই তাদেরকে  বাবা-মা থেকে আলাদা করার উপযুক্ত সময়। আর ব্রিডিং এর পর বাচ্চার সাথে সাথে বক্স বা হাড়িও সরিয়ে ফেলতে হবে। এই সময়টাতে ফিঞ্চ (Zebra finch) পাখিদেরকে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গুলো, বিশেষ করে এগফুড, মেলওয়ার্ম, ক্যানারি বেশি দিতে হবে এবং পাখির পর্যাপ্ত প্রাইভেসি নিশ্চিত করতে হবে। এই ছোট ফিঞ্চ পাখিদেরকে বছরে ২ থেকে ৩ বারের বেশি ব্রিডিং করানো উচিত না। চ. ফিঞ্চ পাখির রেস্ট বা বিশ্রাম : যেমনটা আগে বললাম, ব্রিডিং শেষ হলে বড় সাইজের খাঁচায় ৩ থেকে ৪ জোড়া ফিঞ্চ (Zebra finch) পাখিকে একসাথে রাখা যাবে। ডিম পাড়া সম্ভব এমন কিছু, যেমন বড় খাবারের পাত্র খাঁচায় রাখা যাবে না। ছোট পটে বা ফুড হপারে খাবার দিতে হবে। এছাড়া সব ছেলে পাখিকে এক খাঁচায় এবং মেয়ে পাখি গুলোকে আরেকটি খাঁচায় একসাথে রেখেও বিশ্রাম দেওয়া যায়।

জেব্রা ফিঞ্চ পাখি-Zebra finch

Post by
Zebra finch-জেব্রা ফিঞ্চ পাখি ভিউয়ারস আজকে আমরা জেব্রা ফিঞ্চ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো এবং যতটা সম্ভব এই পাখি সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করবো তাই জেব্রা ফিঞ্ছ সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের পুরো ব্লগটি পড়ুনঃ   ১। ফিঞ্চ পাখির দৈহিক গঠন : জেব্রা ফিঞ্চ হচ্ছে আসলে অস্ট্রেলিয়ান পাখির একটি জাত। এই পাখিটি লেজসহ লম্বায় ৩.৫ থেকে ৪ ইঞ্চি এবং পাখির ওজন ১২-১৬ গ্রাম। জেব্রা ফিঞ্ছ পাখির ঠোঁট এবং পা টুকটুকে লাল বা কমলা রং এর হয়। পাখির চোখের নিচে দিয়ে একটি ছোট কালো দাগ চলে গেছে একেবারে পাখির কান বরাবর। আর প্রজাতি ভেদে এই পাখির বিভিন্ন রং এর হয়ে থাকে। ২। ফিঞ্চ পাখির মিউটেশন বা জাত : জেব্রা ফিঞ্চের বেশ কিছু মিউটেসন আছে। এদের মধ্যে গ্রে, ফন, হোয়াইট, সোনো-হোয়াইট, পাইড, ক্রেস্টেড, ব্লাক চিক (BC), চেস্টনাট ফ্লাঙ্কড হোয়াইট (CFW), পেঙ্গুইন, ইজাবেল/ফ্লোরিডা ফেন্সি, সিলভার ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য মিউটেশন। আমরা সচরাচর যেই মিউটেশনের পাখি দেখে থাকি সেটা হলো গ্রে বা এ্যাশ কালারের, যাকে নরমাল জেব্রা ফিঞ্ছও বলা হয়। ৩। ফিঞ্চ পাখির আচার-আচরণ : প্রকৃতিতে জেব্রা ফিঞ্চ পাখি কলোনী পদ্ধতিতে বসবাস করে। এই পাখি দলবেঁধে প্রতিদিন ২ থেকে ৪ বার খাবারের সন্ধানে বের হয়। ঘাসযুক্ত ভূমিতে বিচরণ করতে এরা বেশি ভালোবাসে। যার যার ঘরের আশেপাশেই বেশি সময় কাটায় এই পাখিরা। (লংটেইল, গোল্ডিয়ান সহ অন্যান্য ফিঞ্চদের সাথেও বেশ সুসম্পর্ক লক্ষ্য করা যায়) এই পাখি খাঁচায় কেমন আচরণ করে তা আমরা সকলেই জানি ! এক জায়গায় স্থির হয়ে বসার সময় এই পাখিদের নেই। যার জন্য এই পাখিদের খুব দ্রুত ক্ষুদা লেগে যায় তাই বারবার এই পাখিদের খাবার ও পানি খেতে দেখা যায়। এই পাখিরা গোসল করতে খুবই পছন্দ করে, তাই এদেরকে নিয়মিত গোসলের পানি দেওয়া জরুরী। ৪। ফিঞ্চ পাখির খাঁচার সাইজ : সাইজে ছোট বলে আমরা মনে করি ফিঞ্চকে কোনরকম একটা খাঁচা দিলেই হবে না এটা মোটেও ঠিক না। কারণ তারা যে প্রচন্ড ওড়া-উড়ি, ছোটাছুটি করে সেটা মাথায় রাখতে হবে। ব্রিডিং এর সময় ১ জোড়া পাখির জন্য ১৮"১৮"১৮ সাইজের খাঁচা সর্বোত্তম। জায়গার সমস্যা থাকলে ১২"১৮"১৮ বা ১৮"১২"১৮ করে দিতে পারেন। ব্রিডিং ছাড়া অন্য সময় ১৮"২৪"২৪ বা ২৪"১৮"২৪ এমন সাইজের খাঁচায় একসাথে ৩-৪ জোড়া রাখা সম্ভব। ইচ্ছা করলে এমন ভাবেই কলোনীতে পাখিকে ব্রিড করাতে পারেন। ৫। ফিঞ্চ পাখির খাবার-দাবার : এই পাখির সবচেয়ে প্রিয় খাবার হোল সিড মিক্স আর এই “সিড মিক্স’ বানাতে যেসকল আইটেম প্রয়োজন হয় তাহলোঃ 🔹 হোয়াইট মিলেট, 🔹 কাউন, এটাও এক ধরণের মিলেট। 🔹 হোয়াইট চীনা, 🔹 তিশি, 🔹গুজিতিল, 🔹ক্যানারি, 🔹 পোলাও ধান ইত্যাদি দেওয়া যায়। আর সবুজ শাকসবজির মধ্যে যা দিতে পারেন তাহলোঃ 🌿পালং শাক, 🌿সরিষা শাক, 🌿কলমি শাক, 🌿 লাল শাক 🌿পুদিনা শাক 🌿ধনেপাতা, 🌿 তুলসি 🌿 লেটুস পাতা, নিমপাতা ও 🌿 সজনে পাতা 🌿 থানকুনি পাতা আর সবজির মধ্যে গাজর ইত্যাদি সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ বার দেওয়া উচিৎ। ক্যালসিয়ামের জন্য সর্বদা খাঁচায় কাটেল ফিস বোন বা সমুদ্রের ফেনা রাখতে হবে, ডিমের খোসা ধুয়ে শুকিয়ে গুড়া করেও দেওয়া যায় আস্ত রেখে দিলেও হয়। আর প্রোটিনের জন্য এগফুড বা মেলওয়ার্ম অথবা পিপড়ার ডিম দেওয়া যায়। এছাড়া সপ্তাহে ২-৩ বার এসিভি, তুলসি দ্রবণ খাওয়ালে পাখি সুস্থ থাকবে এবং অসুখ-বিসুখও অনেকটা কমে যাবে। ৬। ফিঞ্চ পাখির এগফুড: মুরগীর ডিম /কোয়েলের ডিম অবস্যই হার্ড বয়েল করা লাগবে। কখোনো চিড়ার সাথে আবার কখোনো ছোলা ছাড়ানো কাওন রাত্রে ভিজিয়ে রাখা বা কাওনের ভাত আধা সিদ্ধ মিসিয়ে আরো বেস কিছু আইটেম যেমন চিংড়ি মাছের মিহি গুড়া, বিটেল পোকার গুড়া কমার্শিয়াল এগফুড ভালো কোম্পানির, সজনে পাতার গুড়া খুব কম পরিমানে,ওটস দিতে পারেন, এর পর শাক সবজি কুচি করা যেমন: গাজর/বরবটি/ব্রকলি/লাল শাক/ধনে পাতা/তুলসী/লেটুস ও পুদিনা ইত্যাদি মিক্স করে দিতে পারেন। ৭। ফিঞ্চ পাখির অসুখ-বিসুখ : আমাদের দেশে ফিঞ্চ পাখির যেই সমস্যাটা সবচেয়ে বেশি হয় তাহলো ঠান্ডা লাগা এবং এটা এই ধরণের ঠান্ডা-গরম আবহাওয়াতেই সবচেয়ে বেশি ঘটে। তুলসির দ্রবণ বা এসিভি অথবা খাটি মধু খাওয়ালে এবং পাখিকে নিয়মিত রোদ পোহালেই পাখি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। পাখির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এগুলো পাখিকে আগে থেকেই নিয়মিত খাওয়াতে হবে আর পাশাপাশি পাখিকে সপ্তাহে অন্তত ২ থেকে ৩ বার রোদে রাখতে হবে। চেষ্টা করতে হবে দিনের এবং রাতের সময় পাখির খাঁচার তাপমাত্রা ঠিক বা উপযুক্ত রাখার, সেটা ফ্যান চালিয়েই হোক অথবা ১০০ ওয়াটের বাল্ব জ্বালিয়েই হোক। ভিউয়ারস আপনারা যদি অন্যান্য পাখির সম্পর্কে আরও বিস্তারিতভাবে জানতে চান তাহলে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল টি ঘুরে আসতে পারেনঃ

English Budgie Introduction

Post by
English Budgie Introduction Today we are going to discuss some basic questions about English budgies which will help you to know more about your budgie or parakeets. What is an English Budgie? The English budgie (Melopsittacus undulatus) is a variation of the local English budgerigar that originated in England in the 19th and early 20th centuries by breeding preference. This bird lives in Australia. These birds live in many parts of Australia. What is the difference between an English budgie and an Ordinary budgie? American budgies are also known as Australian budgies, these birds may seem small but they can also make a lot of noise in their homes. Thus, the English Budgie also known as Show Budgie or Exhibition Budgie. These budgies are usually not loud. An English Budgie can talk? One thing I like about their personalities is that they learn to speak a lot of words when you teach them. The English bird has a record of the words learned by more than 1,700 birds… In addition, these birds behave well alone or in flocks. Are English Budgies more expensive? In the United States. The average price of an American budgie is about 15 $ to 30 $. However, the average British budgie can cost between 50 $ to 100 $. Especially if you have a "quality" bird, the British budgie is more expensive. They are more expensive than American budgies. Are English budgies loud? English budgies are less noisy when they are compared to the standard breeding pair. When they do talk, they're known for having a quieter voice. They're less prone to screams or yells. At what age are budgies fully grown? They are also known as budgies, the birds reach full maturity at about 8 months of age. Before that time, you can approximate the age of an immature parakeet in a few ways. Because in 8 months they learn eating, flying, playing. Are English Budgies are dangerous or friendly? They are friendly, colorful, sweet, and easy to train. Therefore, it is not surprising that the English Budgies are such adorable animals or pets. English parrots or budgies are good pets to everyone because they are friendly and not shy about their breed. Can you have two male budgies together? Yes, absolutely you can keep two male birds in one cage. Also, you can even have two or two mated budgies in the same cage. Budgies Cage size: I kept my budgies in a cage that is 30 inches wide and about 30 inches from the top. This gave them plenty of room to fly. Can English Budgies live alone? English Budgies can be kept alone or single, but only when you can give them a better environment. Budgies are warm, active, and they need something, such as lots of cage toys, to keep their minds occupied with their playmates. How can I stop my English Budgie from flying away? The first thing you try to do is try to feed them by your hand then in a week, they will understand that you are safe with them. The next command is the "step-up" command ... sure to reward them every time. The more you interact with your parrot, the less they gonna fly away. Can caged budgies live in the wild? If the cage probably provides a warm environment (which, of course, you do as part of bird care). These conditions are ideal for budgies who are surviving from 18 to 29 degrees Celsius. ... Therefore, captive budgies while running in the wild will survive in the summer and the part of spring. If you want you can read our other blog posts..... And this is our You tube channel link you can visit our channel:

বাজরিগার পাখির কক্সিডিওসিস: রক্ত বা ইটের গুড়ার রঙের পায়খানা

Post by
বাজরিগার পাখির কক্সিডিওসিস: রক্ত বা ইটের গুড়ার রঙের পায়খানা বাজরিগার পাখির কক্সিডিওসিস (coccidiosis) হচ্ছে পরিপাকতন্ত্রের একটি রোগ। বিশাল হাতী থেকে শুরু করে বেডরুমের টিকটিকি পর্যন্ত এই রোগে আক্রান্ত হয় আর আমাদের আদরের এই ছোট পাখি তো কিছুই না। বাজরিগার পাখির কক্সিডিওসিস রোগের কারনঃ কক্সি হয় Eimeria নামক প্রোটোজোয়া দ্বারা। Eimeria হচ্ছে এমন ধরনের ভাইরাস যার অনেক শাখা-উপশাখা রয়েছে যেমনঃE.tenella, E.brunetti, E.maxima, E.necatrix, E.acervulina এইরকমই আরও শত শত শাখা-উপশাখা রয়েছে এই ভাইরাসটার। এই ভাইরাস/জীবাণু গুলার মূল বৈশিষ্ট্য হল এরা host specific এবং organ specific। মানে হলো এক প্রাণীর কক্সি অন্য প্রাণীর কিছুই করতে পারে না এবং যেই কক্সি টা যে অর্গানের জন্য নির্দিষ্ট কেবল সেই অর্গানেরই ক্ষতি করতে পারে। পাখির কক্সিডিওসিস রোগতৈরীর প্রক্রিয়াঃ এই Eimeria প্রজাতির জীবাণু গুলো আমাদের চারপাশে অজস্র সংখ্যায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। প্রাণীরা যখন এই জীবাণু গুলো অল্প সংখ্যায় খেয়ে ফেলে তখনই এই রোগের বিরুদ্ধে vaccine এর কাজ করে শরীর এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরী হয়।  কিন্তু যদি বেশী সংখ্যায় এই জীবাণু গুলো খেয়ে ফেলে তাহলে পেটে গিয়ে এরা বংশবৃদ্ধি করে এবং Eimeria পায়খানার মাধ্যমে বেরিয়ে আসে। এখনো পর্যন্ত এইধরনের কোন লক্ষণ প্রকাশিত হয় নি। কিন্তু পাখি যদি এই Eimeria জীবাণু অধিক সংখায় খায় তবে পাখির পেটের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। পেটের ভেতরে অনেক ক্ষতের সৃষ্টি হয়। প্রথমে পাখির খাবার হজম হয় না তারপর পাখির পায়খানায় রক্ত বা ইটের গুড়ার রঙের পায়খানা হয়। পাখির খাবার খাওার রুচি নষ্ট হয়ে যায়। পাখি আস্তে আস্তে শুকিয়ে যায়। পাখির পেটের এই ক্ষতস্থান দিয়ে আরো অনেক জীবানু প্রবেশ করতে থাকে এবং এক সময় পাখির অবস্থা জটিল করে ফেলে। কক্সি আক্রান্ত পাখির বাচ্চাদেরও কক্সি রোগ হতে পারে। কিন্তু ডিমের মাধ্যমে বাচ্চায় কক্সি রোগ ছড়ায় না। পাখির কক্সিডিওসিস রোগের প্রতিকারঃ এই কক্সিডিওসিস রোগটি হলে একজন ভেটেরিনারি চিকিৎসক এর পরামর্শ নিতে হবে এবং এর সাথে যদি অন্য কোন রোগে আক্রান্ত থাকে তাহলে পাখিকে একই সাথে ঐরোগেরও চিকিৎসা করতে হবে। বিশেষ করে কক্সি হলে Necrotic Enteritis হওয়ার ঝুকি অনেকটা বেড়ে যায়। রোগ দুটির লক্ষণ একইরকম কিন্তু কারণ আলাদা আলাদা। পাখির কক্সিডিওসিস রোগের প্রতিরোধঃ পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। তুতে ১ গ্রাম ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে খাঁচা ও ট্রেতে স্প্রে করতে হবে। লবণ পানি স্প্রে করলেও ভালো হয়, কিন্তু তাতে খাঁচার তার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভবনা টা বেড়ে যায় । এই কক্সিডিওসিস রোগটি আজকাল সকল ধরনের পাখির গায়েই দেখা যায় তাই আমাদের পাখিকে সুস্থ ও সবল রাখতে আমদেরকে প্রতি নিয়ত পাখির খাঁচার আসে পাসে পরিষ্কার রাখতে হবে এবং এও খেয়াল রাখতে হবে যে পাখির খাঁচার চারদিকে যেন এমন পরিবেশ সৃষ্টি না হয় যার ফলে আসে-পাশে নানা ধরনের ভাইরাস এর উৎপত্তি হয়। তাই প্রতিদিন পাখির খাবার পালটিয়ে দিবেন , পাখির খাঁচায় পাখিকে যে পানি দিবেন তাও প্রতিদিন পালটিয়ে দিবেন। আর সপ্তাহে  দুই থেকে তিন বার পাখির খাঁচায় নানা ধরনের জীবাণু নাশক যেমনঃ সেভলন ,ডেটল ,ব্লিচিং পাউডার ইত্যাদি জাতীয় জিনিস স্প্রে করবেন আরও খেয়াল রাখতে হবে যেন এগুলো পাখির নাকে অথবা চোখে না ধুকে। এরই সাথে পাখি খাঁচার ট্রে গুলোও পরিষ্কার করে নিতে হবে যার ফলে আপনার পাখি সব সময় সুস্থ থাকবে। সো ভিউয়ার আমাদের আজকের ব্লগটি এতুটুকই যদি ব্লগটি ভালো লেগে থাকে তাহলে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে আমাদের সাথেই থাকুন। আমাদের অন্যান্য ব্লগ গুলো পরতে কিল্ক করুণ পাখির বেপারে আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি ভিসিট করতে পারেন

বাজরিগার পাখি পালন শুরু করার পূর্বে জেনে নিন এই ৮টি বিষয়

Post by
বাজরিগার পাখি পালন শুরু করার পূর্বে জেনে নিন এই ৮টি বিষয় বাংলাদেশে বাজরিগার পাখি পালন যে কবে থেকে শুরু হয়েছে তার কোন সুনির্দিষ্ট প্রমান নেই। কিন্তু বন্য যে সকল বাজরিগার পাখি রয়েছে তাদেরকে এই বন্য পরিবেশে বেচে থাকতে অনেক কিছু সহ্য করতে হয়। সেখানে এই পাখি গুলো প্রাকৃতিক উপায়ে নিজেদের দেখাশোনা নিজেরাই করে থাকে। কিন্তু বাসাতে আমরা যে সকল বাজরিগার পাখির জাত পালন করি তাদের কিন্তু অনেক কিছুরই খেয়াল রাখতে হয় কারন এই পাখি গুল হচ্ছে হাইব্রিড জাতির। হাইব্রিড বলতে বুঝায় যখন কোন জাতির সাথে অন্য কোন জাতির মিলন ঘটিয়ে নতুন কোন জাতি সৃষ্টি বা উদ্ভবন করা হয় তাকে সাধারণত হাইব্রিড বলে। বাজরিগার পাখি হোক আর যেকোন পাখিই হোক তারা নিজেদের রোগ সহজে বাহিরে প্রকাশ পেতে দেয় না। তাই আমদেরকে এইসকল পাখিদের শরীর এর প্রতি একটু বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। এমন অনেক বিষয়  আছে যা আমরা জানিনা কিন্তু ঐবিষয় গুলো আমাদের বাজরিগার পাখিদের জন্য অনেক ক্ষতিকর। আজকের এই পোস্টটিতে আমরা এমনকিছু বিষয়বস্তু  নিয়ে আলোচনা করবো যা আমাদের বাজরিগার পাখিদের শরীরের জন্য অনেক ক্ষতিকর। পাখি পালনে অধিক তাপমাত্রাঃ বাংলাদেশের তাপমাত্রা আজকাল অতি দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে, তাই আপনার বাজরিগার পাখির ঘরের তাপমাত্রা  জানার জন্য আপনি একটি থার্মোমিটার ব্যাবহার করতে পারেন এবং এই থার্মোমিটার টির দাম হতে পারে মাত্র ৬০-৭০ টাকা। বাংলাদেশের নরমাল তাপমাত্রা অনুযায়ী বাজরিগার পাখি যেখানে রাখবেন সেখান কার তাপমাত্রা সব সময় ২২-৩৫ ডিগ্রী এর মধ্যে রাখার চেষ্টা করবেন । ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস এর উপরে তাপমাত্রা উঠে গেলে পাখির নানান ধরনের সমস্যা হতে পারে তার মধ্যেই একটি হল পাখির হিট স্ট্রোক। প্রতি বছর এই হিট স্ট্রোক এর কারনে অনেক পাখির মৃত্যু হয়। যদি কোন কারণবসত পাখির ঘরের তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস এর উপরে উঠে যায় তবে সেই সময় পাখির গায়ে এবং পাখির খাঁচাতে একটু পানি স্প্রে করে দিতে হবে।আবার বেশি পানি স্প্রে করলে পাখির ঠাণ্ডাও লাগতে পারে এই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তারপর আপনি চাইলে পাখিকে ৩দিন পরপর ও টিমসেন স্প্রে করতে পারেন। পাখি পালনে অতিরিক্ত ঠান্ডাঃ বাজরিগার পাখির খাঁচার তাপমাত্রা থাকতে হবে ১৮ ডিগ্রী এর উপরে নয়তো, পাখির শরীরের উপরে তা খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। আপনি যদি আপনার পাখিকে ঘরে পালন করে থাকেন তবে খাচাগুলোকে এমন ভাবে রাখতে হবে যাতে করে পাখিদের শরীরে সরাসরি ফ্যান বা এসির বাতাস না লাগে এবং শীতকালে পাখির খাচাগুলোকে মোটা কাপড় দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। বিষাক্ত ধোয়াঃ বাজরীগার এর শ্বাস-প্রশ্বাস এর প্রক্রিয়া অত্যন্ত সংবেদনশীল ও নমনীয়। এমন অনেক জিনিস আছে যা হয়তো আমাদের শরীর এর জন্য ক্ষতিকারক নয় কিন্তু সেই সব জিনিসগুলো আমাদের প্রান প্রিয় পাখিদের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকারক। যেমনঃ সুবাসিত মোমবাতি, মশা মারার স্প্রে, বডি স্প্রে, এয়ার ফ্রেশনার এই সকল জিনিস গুলোতে অধিক পরিমানে ক্যামিক্যাল ব্যাবহার করা হয়, তাই এই সকল জিনিস-প্ত্র গুলোকে পাখিদের থেকে যথা সম্ভব  দূরে রাখা উচিত। বাংলাদেশে হয়তো এই সকল জিনিস গুলোর জন্য পাখিদের এখনও তেমন কোন দূর্ঘটনায় পড়তে হয়নি  কিন্তু বিদেশে এমন অনেক ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। শুকনো নেইল পালিস বা শুকনো রঙঃ       বাজরিগার পাখি যখন যা সামনে পায় তা একবার হলেও চিবিয়ে খেয়ে টেস্ট করতে চায়। কিন্তু এতে করে পাখিদের অনেক ক্ষতি হতে পারে। তাই যতটা সম্ভব পাখিদের থেকে শুকনোনেইল পালিস বা শুকনো রং দূরে রাখতে হবে। সিগারেট এর ধোঁয়াঃ আমদের মধ্যে অনেকেই ধূমপান করে থাকে। সিগারেটের ধুয়া যেভাবে আমাদের নিজেদের ক্ষতি করে ঠিক একই ভাবে ক্ষতি করে আমাদের আশেপাশে যারা থাকে তাদেরও। এই সিগারেটের ধুয়া যে খালি মানুষ এর জন্য ক্ষতিকর তা কিন্তু না এটি আমদের পাখিদের জন্যও অনেক ক্ষতিকারক। আমরা অনেকেই সিগারেট হাতে নিয়ে পাখির হাটে ধোঁয়া ছাড়ি আর পাখি দেখি। এটি কিন্তু মটেও ঠিক নয়। নন স্টিকঃ সসপ্যান, হিটার, নন স্টিক এর পাতিল, তাওয়া , করাই ইত্যাদিতে রান্না করার সময় এই জিনিস গুলো থেকে যে ধুয়া উৎপন্ন হয় তাও আমদের পাখির জন্য অনেক ক্ষতিকারক। তাই রান্না বান্নার সময় পাখিদের কে রান্না ঘর থেকে দূরে রাখতে হবে।  কোমল পানীয়ঃ বাজরিগার এর পাশে কোন এ্যালকোহল, কফি, ক্যাফেইন বা সোডা কিছুই রাখা যাবে না। এই জিনিসগুলো পাখিদের হৃৎপিণ্ডে অনেক খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। পাখি পালনে এগ ফুডে লবন বা চিনি এর ব্যাবহারঃ এগ ফুডে বা আমাদের পাখিদের জন্য তৈরী করা যে কোনো খাবারেই লবন বা চিনি ব্যাবহার করা উচিত নয়। আমরা যে সকল সবজি দিয়ে এগ ফুড তৈরী করি তাতে যে পরিমাণে লবন বা চিনি থাকে এর বাইরে পাখিদের শরীরে আর কোন বাড়তি লবন বা চিনি এর প্রয়োজন পড়ে না। তাই পাখিদেরকে যে কোন খাবার দেয়ার সময়ই কোন ধরনের লবন বা চিনি অ্যাড করার দরকার নেই। বাজরিগারদের যদি আপনি ফল দিতে চান তাহলে তা খুবই পরিমিত পরিমাণে দিন। আমাদের অন্যান্য ব্লগ গুলো পরতে কিল্ক করুণ পাখির বেপারে আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি ভিসিট করতে পারেন

পাখির জন্য ডিমের খোসার উপকারিতা

Post by
পাখির জন্য ডিমের খোসার উপকারিতা আমরা অনেকেই জানি পাখিদেরকে ডিমের খোসা খাওয়ানো খুবই উপকারী। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না যে পাখিকে ডিমের খোসা খাওয়ানোর উপকারিতা কি? আজকের এই আলোচনায় আমরা জানবো পাখিকে ডিমের খোসা খোসা খাওয়ানোর উপকারিতা সম্পর্কে। একটি ডিমের খোসায় সাধারণত ৯৫% ক্যালসিয়াম কার্বনেট, ৫% ক্যালসিয়াম ফসফেট এবং ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেটের পাশাপাশি অল্প পরিমাণে অদ্রবণীয় দ্রবীভূত প্রোটিন রয়েছে যা পাখির দেহে বিভিন্ন খনিজগুলির অভাব পূরণ করতে পারে অথবা পূরণ করতে সাহায্য করে। বাসা বাঁধার সময় অথবা ব্রিডিং এর সময় পাখিদের প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম খরচ হয় যার ফলে পাখির শরীরে ক্যালসিয়াম এর অভাব হয়। পাখিরা তাদের ছোট শরীরের তুলনায় বেশি ডিম পাড়ে, তাই শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হাড়ের ক্যালসিয়াম পূরণ করে থাকে। এর ফলে পাখির হাড়ের ক্ষয় হতে পারে। তাই এই সময়ে পাখিকে বেশি বেশি করে দানাদার খাবার, খনিজ ব্লক,নানান ধরণের বীজ জাতীয় খাবার এবং কেটেলফিসবোন মিশ্রণ করে পাখিকে খাওয়ালে পাখির এই সমস্যা টা অনেকাংশে কমে যেতে পারে আর এই খাবার গুলর গুরুত্ব অনস্বীকার্য। ডিমের ছোলাও এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। কারণ সিদ্ধ ডিমের খোসা হচ্ছে পাখির জন্য ডাইরেক্ট ক্যালসিয়াম এর উৎস। এই ডিমের ছোলা সকল ধরণের পাখির জন্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ যেমনঃ বাজরিগার, ফিঞ্চ, কোকাটেল, লাভবার্ড, পেরট ইত্যাদি জাতীয় পাখি। ডিমের খোসা পাখিকে দেওয়ার নিয়মাবলী :- https://youtu.be/C9zeXrXrUV0 কাঁচা ডিম থেকে ডিমের কুসুম ও ডিমের ছোলা আলাদা করার পর পানি দিয়ে ভালো করে ডিমের ছোলা ধুয়ে ফেলতে হবে। তারপর হালকা কুসুম গরম পানিতে খোসা গুলো ফুটিয়ে নিন বা সিদ্ধ করে নিন। ডিমের খোসা অতিরিক্ত সিদ্ধ করা থেকে সতর্ক থাকুন। কারণ খুব বেশি ডিমের ছোলা সিদ্ধ করে নিলে পরে আবার ডিমের খোসার উপকারী উপাদান গুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে তাই ডিমের ছোলা কম সিদ্ধ  করতে হবে । এখন ডিমের ছোলা সিদ্ধ হওয়ার পরে ডিমের ছোলা গুলো পাত্র থেকে নামিয়ে সাধারণ তাপমাত্রা বা রুম টেমপ্রেচারে আশা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর ডিমের ছোলা গুলোকে ঠিক মত রোদে সুকাতে হবে এর ফলে ডিমের ছোলা গুলো মচমচে হয়ে যাবে।  তারপরে ডিমের ছোলা গুলোকে ঠিকমত ব্লান্ড করতে হবে নইলে পাটায় পিসে পিসে গুরও করতে হবে।  আপনি চাইলে এই ডিমের ছোলা গুলো পাখিকে নানা ভাবে খাওয়াতে পারবেন যেমনঃ ১/ দানাদার খাবার এর সাথে মিশিয়ে দিতে পারবেন, ২/ চাইলে সিদ্ধ ডিমের সাথে মিক্স করে দিতে পারবেন, ৩/ মিনারেল ব্লগ, কেটেলফিশবোন ও ডিমের খোসাও একত্রে মিক্স করে দিতে পারবেন, ৪/ আবার চাইলে খালি ডিমের ছোলা পাখির খাঁচার এক সাইডে দিয়ে রাখতে পারবেন পাখির যখন ইচ্ছা পাখি তখন খাইতে পারবে। এইভাবে আপনি পাখিটিকে সপ্তাহে 2-3 দিন ডিমের ছোলা দিতে পারেন এবং এই পদ্ধতিটি কাজ করবে এর শতভাগ আশা আপনি করতে পারেন। So Viewrs আমাদের আজকের Blog টি এতুটুকুই। যদি আপনাদের কাছে আমাদের Blog গুলো ভালো লেগে থাকে তাহলে আমাদের বাকি blog post গুলো আপনারা চাইলে দেখতে পারেন। পাখির বেপারে আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি ভিসিট করতে পারেন আবার চাইলে আমাদের ফেসবুক পেজ ও ভিসিট করতে পারেন
Back to Top