Search

বাজিগর পাখির সফট ফুড(Soft Food) বানানোর সঠিক উপায়

Post by
আজকে আমরা আমাদের ব্লগ পোস্টটিতে আলোচনা করব যে বাজিগর/বাজরিগার পাখির জন্য কিভাবে সফট ফুড বানানো যায়। সো ভিউয়ারস মনোযোগ সহকারে আমাদের আজকের ব্লগ পোস্টটি দেখুন ও পড়ুন। ভিউয়ারস আমাদের মাঝে অনেকেই আছে যারা পাখিকে সফট ফুড দেওয়ার গুরুত সম্পর্কে জানেই না। তাদের জন্য বলে দেই যে পাখিরা অনেক সময় দানাদার খাবার খেতে খেতে অতিস্ট হয়ে পরে তখন তারা আর এই দানাদার খাবার গুলো খেতে পছন্দ করে না যার ফলে তখন পাখিরা আস্তে আস্তে অসুস্থ হয়ে পরে। আবার অনেক সময় পাখিরা যখন ব্রিডিং করে তখন পাখির শরীর টাইট হয়ে থাকে আর এই সফট ফুড পাখিকে খেতে দিলে এটি পাখির শরীরকে আস্তে আস্তে ঢিলা করে দেয় যার কারনে পাখিদের ডিম পারতে অনেক সুবিধা/সহজ হয়। পাখির শরীর টাইট হলে পাখিদের Egg Binding/এগ-বাইন্ডিং জনিত সমস্যা হয় তাই পাখিকে ব্রিডিং-এ দেওয়ার আগে পাখিকে সফট ফুড দেওয়া হয়। https://www.youtube.com/watch?v=GzJgy64Irh4 আবার পাখির ভিটামিন জনিত সমস্যা দূর করার জন্যও মাঝে মাঝে বাজ্রিগর পাখিকে সফট ফুড খেতে দেওয়া হয়। আর সফট ফুড সকল ধরণের শাক-সবজি, ফলমূল, ডিম সবকিছুর সংমিশ্রণে বানানো হয় যা পাখির জন্য ভিটামিনের সরাসরি একটা উৎস। সফট ফুড দেওয়ার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো যে এটি খাওয়া ফলে পাখির শরীর এর সকল অনাকাঙ্ক্ষিত ভিটামিনের চাহিদা সম্পূর্ণ হয়ে যায় এবং পাখির অনুরবর ডিম এর সমস্যাও সমাধান হয়ে যায়। এখন আমি আপনাদেরকে বলবো কিভাবে পাখির জন্য সফট ফুড বানানো যায়ঃ আমাদের মাঝে অনেক লোকেই পাখি পালে তাই এক এক জন এক এক ভাবে সফট ফুড বানায় তাই আজকে আমরা বিভিন্ন ধরণের শাক-সবজি ও ফলমূল এই দুই ধরণের সফট ফুড বানানো শিখবো। https://www.youtube.com/watch?v=4iIkejZp0kU সফট ফুড বানানোর পদ্ধতিঃ সফট-ফুড বানানোর জন্য সবার আগেই আমাদের যা প্রয়োজন তা হলো সিদ্ধ ডিম। কারণ সিদ্ধ ডিম পাখির জন্য ডাইরেক্ট ক্যালসিয়াম এর উৎস। পাখিকে ডাইরেক্ট ক্যালসিয়াম দেওয়ার জন্য অনেকেই আছে যারা ডিমকে খালি সিদ্ধ করেই পাখিকে ছোলা সহ খেতে দেয় এই ধরণের খাবার কে আমরা Egg Food/এগ ফুড বলে থাকি। তাই ডিমটি আমাদের সফট ফুড এর জন্য অবশ্যই খুব গুরুতপূর্ণ তাই সফট ফুড বানানোর জন্য ডিমটিকে ভালোভাবে সিদ্ধ করতে হবে। তারপর আমাদের সফট-ফুড বানানোর জন্য দরকার ফ্রেস ভেজিটেবল বা সবজি। আপনারা চাইলে যেকোনো সবজি নিতে পারেন। কিন্তু আমি আপনাদেরকে কিছু ভিটামিনে পরিপূরণ সবজি সাজেস্ট করবো জেমনঃ গাজর, কলমি-শাঁক, পালং-শাঁক, ছোলা ও ভুট্টা। এগুলো পাখির শরীরে উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন জোগান দেয় যার ফলে পাখির ভিটামিন এর কোন ধরণের সমস্যা হয় না। এই সবজি গুলোকে ছোট ছোট করে কেটে ডিমের সাথে মিক্স করে পাখিকে দিতে হবে। আর এই খাবার পাখির খাঁচাতে ৫-৬ ঘন্টার বেশি রাখা যাবে না নইলে সফট-ফুড থেকে বাসি বাসি গন্ধ বের হবে। তাই পাখিকে পর্যাপ্ত পরিমাণে সফট-ফুড দিতে হবে।   https://www.youtube.com/watch?v=XyIF6hZhFe0 ভিউয়ারস এখন আমরা শিখবো কিভাবে ফলমূল দিয়ে এই সফট-ফুড বানানো যায়। ফলমূল দিয়ে সফট-ফুড বানাতে হলে সবার আগে আমাদেরকে কিছু উচ্চমত্রায় ভিটামিন পাওয়া যায় এমন সব ফলমূল বেছে নিতে হবে যেমনঃ আপেল, কমলা, কলা, পেয়ারা, পাঁকা-পেপে, আম ইত্যাদি দিয়ে পাখিকে ভালো মানের মিক্স ভিজিটেবল সফট ফুড বানিয়ে দেওয়া যায়। আপনারা চাইলে এর সাথে সিদ্ধ ডিমও মিক্স করতে পারেন কিন্তু এটা সম্পূর্ণ আপনার ইচ্ছার উপর নির্ভর করে। এই ফলগুলো পাখিকে ছোট ছোট টুকরায় কেটে কেটে দিতে হবে নইলে পাখি খেতে পারবেনা। এই খাবারটাও পাখির খাঁচায় ৫-৬ ঘণ্টা রাখতে হবে নইলে এর থেকে দুরগন্ধ বের হবে। সাধারণত আমরা যখন ৩/৪ টা সবজির সাথে ডিম মিক্স করে পাখিকে দেই তখন পাখির খাবারটা নরম হয়ে যায় তার ফলে খাবারটাকে সফট-ফুড বলে। কিন্তু এই সফট-ফুড আবার পাখিকে সবসময় দেওয়া যাবে না সপ্তাহে ২/৩ দিন করে দিলে ভালো হয় আবার পাখিকে সপ্তাহে এক দিন করে এগ-ফুড দিলেও হয়। যদি আপনি পাখিকে রেগুলার সফট ফুড দেন তাহলে পাখির পেটে সমস্যা হতে পারে যেমনঃ ডায়রিয়া, কলেরা, পাতলা-পায়খানা ইত্যাদি। আবার বেশি সবজি খাওয়ার ফলেও পাখির ডায়রিয়া হতে পারে তাই হিসাব করে শাঁক-সবজি খেতে দিতে হবে। আমাদের আজকের ব্লগ-পোস্টটি এতুটুকুই আর এই বিষয়ে আরও জানতে আমাদের যাচ্ছেতাই ইউটিউব চ্যানেলটি ও ফেসবুক পেজটিও ভিসিট করতে পারেন আরও আপনি চাইলে আমাদের আরও অন্যান্য ব্লগ-পোস্ট গুলোও পড়তে পারেন।

বাজরিগর পাখির ব্রিডিং কোর্স ও ঔষধ👍।How to complete your budgie breeding course | Budgiegar bird breeding course

Post by
https://youtu.be/XyIF6hZhFe0 আজকে আমরা আমাদের ব্লগ পোস্টটিতে আলোচনা করব যে বাজিগর পাখির ব্রিডিং এর পূর্বে কোন কোন ওষুধ ব্যবহার করা হয় এবং আপনারা আপনাদের পাখিদের কিভাবে ব্রিডিং করাতে পারেন। আর পাখিদের ব্রিডিং করাতে যেই ঔষধ এর প্রয়োজন সেইসব ওষুধগুলো নিয়েও আমরা আজকে কথা বলবো। যার ফলে পাখিকে ব্রিডিং এ দেওয়ার আগে আপনারা সেই সকল ওষুধ ব্যবহার করতে পারবেন।    বাজ্রিগার পাখিকে ব্রিডিং এ দেওয়ার পূর্বে অবশ্যই যে ওষুধগুলো দিয়ে কোর্স করানো উচিত তাহলোঃ ১। ক্যালপ্লেক্স (Calplex) ২। হিপ্রাচোক অ্যামিনো (Hiprachok Amino) ৩। জিস-ভেট (Zis Vet) ও ৪। ই-সেল (E-sel) কারণ প্রত্যেক বাজিগর পাখিকে ব্রিডিং দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করে নিতে হয় তাই এর জন্য এই ভিটামিন ও মিনারেল কোর্স গুলো পাখিকে করানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাখিকে ব্রিডিং এ দেওয়ার পূর্বে অবশ্যই ব্রিডিং কোর্স করানো দরকার কারণ দেখা যায় যখন পাখি ব্রিডিং করে মানে ডিম বাচ্চা করে ডিম দেয় তখন তার শরীর থেকে অনেকটা ভিটামিন ও মিনারেল ক্ষয় হয় যার ফলে পাখি অনেকটা দুর্বল হয়ে যায়। Subscribe us on YouTube Follow us on Facebook আবার অনেক সময় এমনও দেখা যায় যে পাখি ব্রিডিং করেনা অর্থাৎ ব্রিডিং মুড এ আসতে চায় না বা আসলেও সহজে মেটিং করতে চায় না এগুলো সাধারণত পাখির শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল ঘাটতি থাকায় এই সমস্যা গুলো হয়ে থাকে।আর আপনার পাখির যদি এই সমস্যা গুলো থাকে তাহলে এই ব্লগ পোস্টটি আপনারই জন্য আপনারা চাইলে আমাদের আর যে যে ব্লগ পোস্ট গুলো পড়তে পারেনঃ বাজরিগার পাখি পালন শুরু করার পূর্বে জেনে নিন এই ৮টি বিষয় বাজরিগর পাখির ব্রিডিং কোর্স ও ঔষধ উপরে যে ৪টি মেডিসিনের ছবি দেওয়া আছে এইগুলো দিয়েই সাধারন্ত পাখিকে ব্রিডিং কোর্স করানো হয়। ব্রিডিং এর জন্য পাখিকে ঔষধ দেওয়ার পদ্ধতিঃ প্রথমে যেটা দেখতে পাচ্ছি সেটা হচ্ছে ক্যালপ্লেক্স (Calplex), এটা বলতে গেলে ক্যালসিয়ামের জন্য খুবই ভালো। পাখির শরীরে যখন ক্যালসিয়াম অভাব দেখা দেয় তখন আমরা পাখিকে এই ঔষধ দিয়ে থাকি। এই ঔষধটি ১লিটার পানিতে ২মিলি দিলেই হয়। আর এটি পাখির খাঁচা থেকে ৫/৬ ঘন্টা পর সরিয়ে ফেলতে হবে। https://www.youtube.com/watch?v=FbiE3r4cYLM এরপর হিপ্রাচোক অ্যামিনো (Hiprachok Amino) এটা মাল্টিভিটামিন এর জন্য খুবই ভালো একটা ঔষধ এটা বাজারের সব দোকানে পাওয়া যায় না। কারণ এটি একটি বিদেশি ব্র্যান্ডের ঔষধ। এই হিপ্রাচোক আমিনো ১ লিটার পানিতে ১মিলি মিশিয়ে পাখিকে দিতে হবে। আর এটি পাখির খাঁচা থেকে ৫/৬ ঘন্টা পর সরিয়ে ফেলতে হবে। তারপর তিন নম্বর যে ঔষধটি আছে সেটি হচ্ছে জিস-ভেট (Zis Vet) এটা সাধারণত ভিটামিন একমি কোম্পানির। এই ঔষধটি পাখির জিংক এর অভাব পূরণ করার জন্য ব্যাবহার করা হয়। জিস ভেট ১ লিটার পানিতে ২মিলি মিশিয়ে পাখিকে দিতে হয় আর ৫-৭ দিন ধরে এই কোর্সটা করানো লাগে। এবং শেষেই আছে ই-সেল (E-sel) ভিটামিন ঔষধ। যেটা পাখিকে মেটিং এর প্রতি উদ্বুদ্ধ করে। এই ই-সেল ঔষধটিকে ১ লিটার পানির সাথে ১/২ মিলি মিশিয়ে দিতে হবে। এভাবে এই ঔষধ টিকে পানির সাথে মিশিয়ে পাখিকে ৩-৪ দিনের একটা কোর্স করানো লাগবে। https://www.youtube.com/watch?v=CBqneIqfTrs ক্যালপ্লেক্স, হিপ্রচক আমিনো এবং জিস-ভেট এই ৩টা ওষুধ দিয়েই কোর্স করবেন প্রথমে এবং তারপরে শেষে আলাদা করে ই-সেল এর একটা কোর্স করাবেন। তাহলে আশা করা যায় ব্রিডিং এর রেজাল্টটা খুব ভালো আসবে এবং এই ঔষধ গুলো দেওয়ার কারনে পাখিও তাড়াতাড়ি ব্রিডিং করবে। আর যদি এটা না করাতে চান তাহলে ই-সেল ঐ তিনটা ওষুধের সাথে মিশিয়ে দিতে পারেন তবে এতে কোন ধরণের সমস্যা হয়না। তবে ই-সেলটা পড়ে দিলেই ভালো হয় কারণ মাল্টিভিটামিনের কোর্স এর সাথে ই-সেল না দিলেই ঔষধ বেশি কাজ করে। তাই আগে এই ৩টা ঔষধ ক্যালপ্লেক্স, হিপ্রচক আমিনো, জিস-ভেট দিবেন। এদের ১টা কোর্স শেষ হওয়ার পর আপনারা আলাদা একটা ই-সেল এর কোর্স করাবেন এবং তারপর কোর্স গুলো শেষ হলে পাখির খাঁচায় পাখির হাড়ি দিয়ে দিবেন। তাহলেই পাখি ব্রিডিং করা শুরু করে দিবে। আর এই বিষয়ক আরও ব্লগ পড়তে আমাদের বিভিন্ন ব্লগ পোস্ট গুলো মনোযোগ সহকারে পড়ুনঃ   বাচ্চা বাজ্রিকা পাখির জন্য হ্যান্ডফিড বানানোর পদ্ধতি (How to make handfeed for baby bajrigar birds)বাজরিগার পাখির খাবার তালিকা (Budgie Bird Food List)রিংনেক টিয়া পাখির ব্রিডিং পদ্ধতি (Parrot Breeding Process)

বাচ্চা পাখির জন্য হ্যান্ডফিড বানানোর পদ্ধতি

Post by
https://www.youtube.com/watch?v=sfV3KVSJnys&ab_channel=%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%87 যখন মেল ও ফিমেল বাজরিগর পাখি তাদের বাচ্চা পাখিকে ঠিক মত খাবার খাওয়ায় না বা যেকোনো জরুরী অবস্থায় পাখিদেরকে হ্যান্ড ফিডিং করাতে হয়। বাজরিগর পাখির বাচ্চাকে হ্যান্ডফিড করানোর জন্য যেসকল উপকরণ এর প্রয়োজনঃ চাল এক চামচ, মুগ ডাল আধা চামচ, বুটের ডাল দুই চামচ, মিস্টি কুমরা এক চামচ, গাজর আধা চামচ সিদ্ধ করে এর সাথে সিদ্ধ ডিম মিশিয়ে ব্লেন্ড করে ফেলুন। তারপর এর সাথে হালকা কুসুম গরম পানি মিক্স করে পাখিকে খাবার হিসাবে এটি খাওয়ান। এই বাচ্চা পাখিদেরকে দুই সপ্তাহ না হয়া পর্যন্ত কোন ধরণের শাক-সবজি দেওয়া যাবে না। বাজরিগর পাখির বাচ্চার বয়স যখন দুই সপ্তাহ হবে তখন বাচ্চা পাখির খাবার এর সাথে প্রত্যেক দিন একটা করে সাজনা-পাতা মিশিয়ে পাখিকে খাওয়াতে হবে দীর্ঘ এক মাস পর্যন্ত। পাখির বাচ্চাকে অবশ্যই সিরিঞ্জ অথবা চামচ দিয়ে খাবার খাওয়াতে হবে। কখনোই বেশী খাবার খাওয়ানো যাবে না। বাজ্রিগর পাখির বাচ্চার পাখির পেট খালি হলে তাদেরকে হ্যান্ডফিড খাওয়াতে হবে। তবে প্রথম এক সপ্তাহ দুই ঘন্টা পরপর পাতলা করে খাবার খাওয়াতে হবে। পরের সপ্তাহে তিন ঘন্টা পরপর । তিন সপ্তাহ পর পাখি নিজেই চেয়ে খেয়ে নিবে। তখন আনুমানিক দিনে চার থেকে পাঁচবার পাখি খাবার খাবে। পাখির বাচ্চাকে ৬০ ওয়াট লাইটের নিচে অথবা একটু দূরে রেখে একটি কাপড় উপর বসিয়ে দিয়ে ছিদ্র যুক্ত বক্সে রাখলে ভালো হবে। এই কাপড় যদি ভিজে যায় তখন পাখির বাচ্চার ঠাণ্ডা লাগতে পারে তাই প্রতিদিন একবার করে পাখির নিচের সেই কাপড় টা চেঞ্জ করলে বাচ্চার শরীর ভালো থাকবে। বাকিটা আল্লাহ,ভরসা। তবে যতকিছুই খাওয়ান না কেন বাচ্চা পাখি তার বাবা-মা পাখির কাছেই ভালো থাকে। আর আমি বেশীরভাগ সময়ই পাখিকে হ্যান্ড ফিডিং এর জন্য অসুস্থ হতে দেখেছি। সবচেয়ে জরুরী কথা হলো, পাখিকে কখনও সিরিঞ্জ দিয়ে মুখের ভিতরে নল ঢুকিয়ে খাওয়াবেন না। এতে বাচ্চার অনেক ক্ষতি হয়। একবার ভেবে দেখুন, যদি আপনাকে আপনার মুখের ভিতরে নল ঢুকিয়ে খাওয়ানো হয়, আপনার কেমন লাগবে? ও-তো ছোট বাচ্চা। তাই সবসময় পাখিকে চামচ দিয়ে খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। তবে, কেনা হ্যান্ড ফিডিং দিতে হলে Nutribird ছাড়া অন্য কোন খাবার দিবেন না। বি:দ্র: টেম করার নামে অতিরিক্ত ছোট বাচ্চা কখনও কিনবেন না। আপনি যদি পাখিকে সময় দেন, তাহলে ২ বছর বয়েসের পাখিও টেম হবে। হ্যান্ডফিড করতে যেয়ে প্রচুর পাখির বাচ্চা মারা যায়। টেম করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বয়স হল, যখন সে নিজেই একা একা খাওয়া শিখবে, তখন পাখিকে টেম করাটা অনেক সহজ। আর এই বিষয়ক আরও ব্লগ পড়তে আমাদের বিভিন্ন ব্লগ পোস্ট গুলো মনোযোগ সহকারে পড়ুনঃ রিংনেক টিয়া পাখির ব্রিডিং পদ্ধতিপ্যারাকিটের নেস্টিং আচরণ কেমন হয়বাজরিগার (Bajrika Pakhi) এর খাবার তালিকা

পাখির সাধারণ ডায়রিয়া রোগ

Post by
অনেক সময় বাজরিগর সহ অনেক পাখি ডায়রিয়ার রোগে আক্রান্ত হয়। এই রোগের মূল কারন হচ্ছে পাখির অন্তনালীর কিছু রোগ-জীবানু। আজকে আমরা কিভাবে এই সকল ধরণের রোগ-জীবাণু থেকে মুক্তি পাওয়া যায় তা নিয়ে কথা বলবো।   পাখির ডায়রিয়ার কারনঃ ডায়রিয়া রোগটি সাধারণত পানির মধ্যমে, খাবারের মাধ্যমে, পাখির হজম প্রক্রিয়া ব্যাহত হলে অথবা পরজীবি বা জীবানু ও ব্যাক্টেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হলে এই রোগটি ছরায়। https://www.youtube.com/watch?v=TZJYxV2ii48&t=36s পাখির ডায়রিয়ার লক্ষনঃ এ রোগেটির কারনে আক্রান্ত পাখি অন্য পাখিদের তুলনায় একটু চুপচাপ থাকে এবং কিছুটা পশম ফুলিয়ে বসে থাকে। তবে এই অবস্থায় আরো অবনতি হলে পাখি তার শরীর ফুলিয়ে প্রায় গোল হয়ে যায় এবং প্রচুর পরিমানে পানি খায়। এই অবস্থায় পাখির পায়খানার রং কিছুটা ধুসর খয়রি অথবা গাঁড় খয়রি, বাদামি এবং অবস্থার অবনতির সময় সবুজ বা হ্লুদ রং ধারন করে থাকে। আর এই সময় পাখির পায়খানা থেকে খারাপ গন্ধ বের হয়। পাখির মলদ্বারের চারপাশের পালক গুলো ভেজা থাকে এবং ঐ জায়গায় গরম ও লাল হয়ে থাকে। অতিরিক্ত ডায়রিয়া হলে পাখির কিডনিতে সমস্যা হতে পারে। পাখির ডায়রিয়ার চিকিৎসাঃ পাখি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে তৎক্ষণাৎ তাকে অন্যান্য পাখিদের থেকে আলাদা করে দিয়ে সবুজ ও নরম খাদ্য দেয়া বন্ধ করে দিতে হবে। পাখির খাচার ভিতরে ৪০-৬০ ওয়ার্ট এর ১টি বাল্ব জালিয়ে দিতে হবে। পাখিকে লাল চা হালকা ঠান্ডা করে খাওয়াতে হবে। পাখি যদি সবুজ রঙের পায় খানা করে তখন ৫০ এম.এল চা এর সাথে ২ এম.এল আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে দিতে হবে এবং সাথে সাথে শুকনো খাবার দিতে হবে যেমন- চিনা, কাওন, মিলেট ইত্যাদি। এভাবে চালিয়ে জেতে হবে যত দিন পাখির শরীর ভালো না হয়। টিয়া পাখির পালন পদ্ধতি এছাড়া কিছু এন্টিবায়টিক ঔষধ আছে যা পাখির ডায়রিয়া রোগের জন্য খুবই কার্যকরী যেমন- Terramycin, ESB 30%, Teracycline, Oxytetracycline 20% উপ্রোক্ত এন্টিবায়টিক গুলোর যে কোন একটি ঠান্ডা ফুটানো পানির সাথে নির্দিষ্ট পরিমানে (প্রতি ১ লিটারে ১ গ্রাম) মিশিয়ে তার সাথে কিছু পরিমান স্যালাইন বা গ্লুকোজ মিশিয়ে ব্যবহার পাখি তারাতারি সুস্থ হয়ে পরবে এবং পানি শূন্যতার রোগ কাটিয়ে উঠতে পারবে। আপনি চাইলে আমাদের ব্লগ পোস্ট গুলো পড়ার পাশাপাশি আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি ঘুরে আসতে পারেন যাচ্ছেতাই

প্যারাকিটের নেস্টিং আচরণ কেমন হয়

Post by
প্যারাকিটের নেস্টিং আচরণ কেমন হয় হ্যালো ভিউয়ারস আজকে আমরা প্যারাকিটের নেস্টিং সময় আচরণ কেমন হয় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। তাই আমদের ব্লগ পোস্টটি ভালোভাবে ও মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। আর আশা করছি যে এই ব্লগ পোস্টটি পড়ার পর আর পাখির নেস্টিং নিয়ে আপানদের মনে কোনো ধরণের ভুল ধারনা থাকবে না। যখন একটি প্যারাকিট বাসা বাঁধার জন্য প্রস্তুত হয়, তখন সেই পাখিটি নির্দিষ্ট কিছু আচরণ প্রদর্শন করে থাকে যা প্রজননের জন্য তার প্রস্তুতি নির্দেশ করে। এই আচরণটি বসন্তকালে আরও নিয়মিত এবং উদ্যমী হয়ে ওঠে, কারণ এটি বছরের এমন একটি সময় যখন পাখিরা স্বভাবতই প্রজনন করতে চায়। সাধারণত, এই বাসা বাঁধার আচরণ শুধুমাত্র একটি যৌন পরিপক্ক প্যারাকিটের জন্য বছরে একবার ঘটে। বাসা বাঁধার আচরণের লক্ষণগুলি জানা আপনাকে কেবল বুঝতেই সাহায্য করবে না কখন আপনার পোষা প্যারাকিট প্রজনন ঋতুর জন্য প্রস্তুত হবে, তবে একজন মালিক হিসাবে আপনাকে কীভাবে আচরণের সাথে মোকাবিলা করতে হবে তাও শিখিয়ে দেবে। আপনি চাইলে আমাদের অন্যান্য ভিডিও গুলো দেখতে পারেনঃ https://www.youtube.com/watch?v=TZJYxV2ii48 প্যারাকিটের নেস্টিং এর সময় প্রেমের আচরণ একটি প্যারাকিট বা পাখির জোড়া বাসা বাঁধার সময়ে প্রেমের আচরণ প্রদর্শন করতে পারে। প্রিনিং এবং বর্ধিত কণ্ঠস্বর আচরণগত লক্ষণ গুলোর মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার প্যারাকিট বাসা বাঁধার জন্য প্রস্তুত। তাদের আচার-আচরণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে লেজের পালক দিয়ে ঝাঁকুনি দেওয়া, ঘাড়ের পালক উঠে যাওয়া এবং চোখ বুনোভাবে ঝলমল করা। প্রেয়সীর আচরণের রূপ যা বাসা বাঁধার সময় আরও ঘন ঘন হয়ে ওঠে এবং এতে জোর দেওয়া হয়। আপনারা চাইলে আমাদের অন্যান্য ব্লগ পোস্ট গুলোও পড়তে পারেনঃ Zebra finch-জেব্রা ফিঞ্চ পাখির (বয়স, ছেলে-মেয়ে নির্ধারণ এবং ব্রিডিং) প্যারাকিটের জন্য একটি নেস্ট প্রস্তুত করা হচ্ছে একটি বাসা প্রস্তুত করা মানে হচ্ছে যে আপনার প্যারাকিট ব্রিডিং করতে চাচ্ছে। আপনার পোষা পাখিটি অন্ধকার অঞ্চলে চারপাশে শিকড় অথবা শুকনো কিছু দিয়ে ঘরকে ব্রিডিং এর জন্য তৈরি করা শুরু করে যেমন তার খাঁচার নীচে সংবাদপত্রনিয়ে নেস্টিং বক্সে জমানো অথবা বাসা তৈরি করার জন্য কাপড়ে গর্ত করা। এটি কাঠ, জানালার বা ল্যাম্পশেডের মতো যা কিছু করতে পারে তা চিবিয়েও খেতে পারে। নেস্টিং পাখি গুলো প্রায়শই তাদের নির্বাচিত বাসা বাঁধার জায়গাগুলিকে আক্রমণাত্মক এবং শোরগোল করে রক্ষা করে, যা অস্থায়ী। আর ব্রিডিং এর সময় প্রস্তুতি নেয়ার জন্য প্রায় পাখিরা ব্রিডিং বক্সের ভিতরে বসে থাকে। প্যারাকিটের খাদ্যের পুনর্গঠন একটি পাখি বা প্যারাকিট যখন ব্রিডিং এর জন্য প্রস্তুত হয় তখন তারা বেশি থেকে বেশি খাবার গ্রহন করে এবং প্রায়ই খাবার হাড়ি বা নেস্ট বক্সের ভিতরে নিয়ে যায় ঐখানে খাবার নিয়ে যাওয়ার কারণ হল অনেক সময় পেটে ডিম থাকার কারনে পাখিরা নিচে নেমে খাবার খেতে পারে না তাই তারা আগের থেকেই খাবার নিয়ে হাড়িতে রাখে। এই সময় মাঝে মাঝে পুরুষ পাখিও মহিলা পাখিকে খাবার খাইয়ে দেয়। তাই নেস্টিং এর সময় অথবা ব্রিডিং এর সময় পাখিকে ভিটামিন সহ খাবার দেয়া লাগে নইলে পাখি চির চিরে হয়ে পরে। তাই এই সময়ে বিশেষ করে পাখিকে মিনারেল ব্লগ, কেটেল ফিস বোন এইগুলো খাওয়াতে হবে। আপনি চাইলে আমাদের অন্যান্য ভিডিও গুলো দেখতে পারেনঃ https://www.youtube.com/watch?v=dIeZVlP-rYM প্যারাকিটের ডিম পাড়া স্ত্রী প্যারাকিট বাসা বাঁধার মৌসুমে এক বা একাধিক ডিম পাড়তে পারে, যাকে ক্লাচ বলা হয়, যা পুরুষ প্যারাকিট ছাড়াও হতে পারে। এই ধরণের মেয়ে পাখি যে ডিম উৎপাদন করে তাকে মহিলা পাখির বন্ধ্যা বলে। যদি বংশবৃদ্ধি নিরুৎসাহিত করা হয় তবে মালিকের পক্ষে সর্বনিম্ন ১০ দিনের জন্য স্ত্রী পাখির যত্নে ডিম ছেড়ে দেওয়া ভালো। এই অপেক্ষার সময়টি মহিলাকে তার হরমোন চক্র শেষ করতে দেয় এবং অতিরিক্ত ডিম পাড়াতে বাধা দেয়, যা প্যারাকিটের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারকও হতে পারে। আপনারা চাইলে আমাদের অন্যান্য ব্লগ পোস্ট গুলোও পড়তে পারেনঃ কথা বলা পাখি কোন গুলো  তাই এই সময় ডিম দেওয়ার কিছু দিন পর ডিম চেক করতে হবে আর যদি পাখির বন্ধ্যা জাতীয় রোগ হয় তাহলে পাখিকে ফ্লাইট কেজে দিতে হবে। ফ্লাইট কেজে দেয়ার পর পাখিকে কমপক্ষে এক থেকে দেড় মাস রেস্টে দিতে হবে। তাহলে এই ধরণের সমস্যা তারাতারি সমাধান করা যাবে। আর ফ্লাইট কেজে দেয়ার সময় পাখির জোড়াকে আলাদা করে দিতে হবে এবং এক খাঁচায় একটি পাখি রাখতে হবে, আর এই খাঁচায় রাখা অবস্থায় পাখিকে ভালোভাবে ভিটামিন কোর্স করাতে হবে। সো ভিউয়ারস আমাদের আজকের ব্লগ পোস্টটি এতুটুকই যদি আপনাদের কাছে ব্লগটি ভালো লেগে থাকে তাহলে আমাদের পোস্টটিকে লাইক করে কমেন্ট করে আমাদের সাথেই থাকুন। আর আপনি চাইলে আমাদের ইউটিউব (YouTube) চ্যানেলটি ভিসিট করে আসতে পারেন।

ভারতীয় রিংনেক তোতাদের জন্য ব্রিডিং বক্স

Post by
ভারতীয় রিংনেক তোতারা পোষা প্রাণী হিসাবে অনেক আকর্ষণীয় একটি পাখি। এই রিংনেক তোতা পাখিদেরকে কথা বলা এবং শিস দেওয়া শেখানো যেতে পারে। পুরুষ পাখিদের গলায় একটি উজ্জ্বল নীল আংটি থাকে যা তাদেরকে মহিলা পাখিদের থেকে অনেকটা আলাদা করে তোলে, যার ফলে প্রজননের জন্য ভালো এক জোড়া পাখি নির্বাচন করা অনেকটা সহজ হয়ে যায়। ভারতীয় রিংনেক তোতা পাখি বন্য অঞ্চলে, গাছের গর্তের মধ্যে বাসা বাঁধে। তাই আপনি আপনার পাখিদেরকে বাড়িতে ঠিক অনুভব করাতে কাঠ থেকে একটি রিংনেক প্রজনন বাক্স তৈরি করুন। ভারতীয় রিংনেক তোতা পাখির জন্য কি নেস্টিং বক্স প্রয়োজনঃ যখন রিংনেক তোতা পাখির ডিম দেওয়ার বয়স হয় তখনই পাখির খাঁচায় নেস্ট বক্স টানিয়ে দেয়ার উপযুক্ত সময়। আবার যখন তারা যৌন পরিপক্কতায় পৌঁছায় আর চিহ্নিতকরণটি বিকশিত হয়, তখনও রিংনেক তোতা পাখির খাঁচায় ব্রিডিং বক্স টানিয়ে দেওয়ার উপযুক্ত সময়। যাইহোক, ব্রিডিং এর জন্য অবশ্যই একটি পুরুষ এবং একটি মেয়ে পাখি উভয়েরই প্রয়োজন হয়, কিন্তু যদি আপনার পাখির খাঁচায় একাটা ছেলে অথবা সবগুলো ছেলে থাকে, তাহলে তাদের জন্য নেস্টবক্সের কোনো প্রয়োজন নেই। আপনি চাইলে আমাদের অন্যান্য ব্লগ পোস্ট পড়তে পারেনঃ রিংনেক টিয়া পাখির ব্রিডিং পদ্ধতি আর যদি আপনার খাঁচায় সব মেয়ে পাখি থাকে কিন্তু আপনার সেই সব পাখি গুলো ডিম দিচ্ছে তাহলে তাদের খাঁচাতেও ব্রিডিং বক্স দেয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ এটি একটি মেয়ে পাখির সাথে অন্য মেয়ে পাখির মেটিং এর ফলে হয়েছে যার ফলে ডিমটি অনুর্বর ডিম। আর যদি অনুর্বর ডিম ফুটানোর জন্য পাখিকে নেস্ট বক্স অথবা ব্রিডিং বক্স দেয়া হয় তাহলে তাদের অভ্যাস টা অনেক খারাপ হয়ে যায়। আর জপদি নেস্ট বক্স না দেন তাহলে সেই নষ্ট ডিম বা অনুর্বর ডিম পাড়ার প্রবণতা অনেকটা কমে যাবে। ভারতীয় রিংনেক নেস্টিং বক্স এর সাইজঃ ভারতীয় রিংনেক প্যারোট এর নেস্ট বক্স এমন সাইজের হতেহবে জাতে তারা কোন ধরণের সমস্যা ছাড়া  ঐ বক্সটিতে মেটিং করতে পারে, এর পাশাপাশি জেন ডিমে তাপ দিতে পারে এবং উপযুক্ত সময় পর্যন্ত জানি এই খাঁচায় বাচ্চাকে লালন পালন করতে পারে। একটি নেস্টিং বক্স অথবা ব্রিডিং বক্স কমপক্ষে ৩০ ইঞ্চি লম্বা এবং ন্যূনতম ৭ থেকে ১০ ইঞ্চি চওড়া হওয়া উচিত। এই নেস্ট বক্সটির ভিতরে কিছু পরিমাণে নেস্ট মেটারিয়াল দিয়ে রাখতে হবে যার ফলে কোন ডিম ভাঙ্গার আসঙ্কা থাকবে না।  একটি ব্রিডিং পেয়ার কে আদর্শভাবে ব্রিডিং অথবা মেটিং করাতে হলে তাদেরকে নিজস্ব ফ্লাইট খাঁচায় রাখতে হবে। ফ্লাইট খাঁচায় রাখার প্রধান কারণ হল এর অন্যান্য ব্রিডিং পেয়ারকে দেখতে পারবে যার ফলে এরা ব্রিডিং করার জন্য উৎসাহিত হবে। অন্যান্য খাঁচায় অন্যান্য পাখির সাথে ফ্লার্টেশন প্রজনন প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে পারে, যার ফলে পাখির ডিম বন্ধ্যা রোগ হয়। আপনি চাইলে আমাদের অন্যান্য ব্লগ পোস্ট পড়তে পারেনঃ বাজরিগার পাখির ব্রিডিং কোর্স কখনো কখনো পাখি খাঁচা ভাগ করে নিতে পারে না যার ফলে তাদের মধ্যে প্রোপার মেটিং সম্পন্ন হয় না। তাই সবসময় পাখিদেরকে কিছু একাকী সময় দিতে হয়। না হলে পাখিরা একে অপরের উপর থেকে তাদের আকর্ষণটা হারিয়ে ফেলে। তাই জেই জোড়া পাখিটিকে আমরা ব্রিডিং করাতে চাই সেই জোড়া  পাখিকে ফ্লাইট কেজে রাখতে হবে। আর প্রতি বছর পাখিদেরকে একই ব্রিডিং বক্স দিতে হবে নইলে তারাতাদের ঘর বা নেস্ট বক্স থেকে মনোযোগ হারিয়ে ফেলে। রিংনেক তাদের বাচ্চাদের একই ধরণের বাসাতেই বড় করতে পছন্দ করে যা তারা নিজেরাই হ্যাচলিং হিসাবে অনুভব করেছিল। যদি আপনার পাখি বন্য-ধরা হয় তাহলে একটি ফাঁপা লগ পছন্দের বাসা হবে। পাতলা পাতলা কাঠের বাক্সে বেড়ে ওঠা পাখিরা রিংনেক প্যারোট নেস্টিং বক্সের অন্য স্টাইলের চেয়ে এই ধরনের থাকার জায়গা বেশি পছন্দ করে। আপনি চাইলে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি ভিসিট করতে পারেনঃ বাজরিগার পাখির মারামারি করার ৫টি কারণ / 5 Reasons Why Your Budgies সহজবোধ্য রাখো খাঁচাটিকে সহজবোধ্য রাখার জন্য আমাদেরকে অনন্যা পাখির ব্রিডিং বক্স এর ডিজাইন দেখতে হবে। আমি আমার পাখির নেস্ট বক্সটিকে যেভাবে বানিয়েছি তাহলো বক্সটিকে প্রথমে পাখির মাপ থেকে বড় করে কেটেছি যার কারনে এতে পাখি এতে ডিম পাড়ার পাশাপাশি ডিমে তাপ দিতে পারবে। আর এই একই খাঁচাতে পাখি নিজের বাচ্চাদেরকে বড় করতে পারবে। এই খাঁচায় রিংনেক তোতা পাখি ডিম দেয়ার আগে এতে কিছু নেস্টিং মেটারিয়াল দিতে হবে যার ফলে পাখির ডিম ভাঙ্গার কোন ধরণের আশংকা থাকবে না। এভাবেই আমাদেরকে পাখির জন্য একটি নেস্ট বক্স বানাতে হবে। সো ভিউয়ারস আমাদেরকে আজকের ব্লগ পোস্টটি এতুটুকই যদি আমাদের ব্লগটি ভালো লেগে থাকে তাহলে আমাদের পোস্টটিকে লাইক করে কমেন্ট করে আমাদের সাথেই থাকুন।

রিংনেক টিয়া পাখির ব্রিডিং পদ্ধতি

Post by
টিয়া পাখির ব্রিডিং পদ্ধতি হ্যালো ভিউয়ারস আজকে আমরা টিয়া পাখির ব্রিডিং পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করবো। তাই আমদের ব্লগ পোস্টটি ভালোভাবে ও মন দিয়ে পড়ুন আজকাল অনেক মানুষই শখের বশে নানা ধরণের পাখি পুষে থাকে কেউ বাজিগর তো কেউ ময়না, কেউ রিংনেক টিয়া পাখি তো কেউ লাভ বার্ড আবার কেউ কবুতর তো কেউ ঘুঘু। তো এত গভীরে না গিয়ে আমরা টিয়া পাখির দিকে ফিরে যাই। আমাদের এই বাংলাদেশে মিউটেশন ভেদে অনেক ধরণের টিয়া পাখি রয়েছে যেমনঃ ১/ রিং-নেক টিয়া পাখি, ২/ ইয়েলো রিং-নেক টিয়া পাখি, ৩/ ব্লউু (Blue)-রিংনেক টিয়া পাখি, ৪/ ভায়োলেট রিং-নেক টিয়া পাখি, ৫/ এল্বিনো রিং-নেক টিয়া পাখি ইতাদি। যদিও এই সকল টিয়া পাখির মিউটেশন একে অপরের থেকে অনেকটা ভিন্ন কিন্তু এদের সকলেরই ব্রিডিং পদ্ধতি প্রায় একই। আবার মাঝে মাঝে কিছু কিছু ক্ষেত্রে পাখির ব্রিডিং পদ্ধতি টা ভিন্নতরও হয়ে থাকে। আজকে আমরা মূলত যেই পাখিটি নিয়ে কথা বলবো সেটি হচ্ছে রিংনেক টিয়া পাখি। রিংনেক টিয়া পাখি মূলত ইন্ডিয়ার মিউটেশন। এই পাখিটিকে সব ধরণের ব্রিডারাই পোষ মানাতে ভালোবাসে। আর এরা মূলত সহজেই ব্রিডিং করে। রিংনেক টিয়া পাখির ব্রিডিং প্রসেসঃ ১/ সবার আগে পাখিকে ব্রিডিং অথবা প্রজনন করানোর জন্য এক জোড়া সুস্থ টিয়া পাখি নির্বাচন করুন। সবসময় ভালো জেনেটিকের পাখি নির্বাচন করুন এবং কোন স্বাস্থ্য সমস্যা বা অবাঞ্ছিত বৈশিষ্ট্য নেই এই ধরণের পাখি নেয়ার চেষ্টা করুন। ২/ আপনি যেই রিং-নেক পাখির জোড়াকে ব্রিডিং করাতে চাচ্ছেন সেই পাখির জোড়া গুলিকে অন্য সকল পাখির জোড়া থেকে আলাদা করুন। এই পাখি গুলোকে আলাদা করার প্রধান কারন হচ্ছে যদি আমরা ব্রিডিং পেয়ারকে কিছু একাকী সময় না দেই তাহলে তারা সঠিকভাবে মেটিং করতে পারবে না যার ফলে ডিম নষ্টঅ হতে পারে। ৩/ আপনার ব্রিডিং পাখির জোড়াকে একটি পাখির খাঁচায় একসাথে রাখুন, তাদের একে অপরকে জানতে ও চিন্তে দিন। ৪/ আপনাকে আপনার পাখিদের প্রতি আরেকটু গুরুত সহকারে দেখুন. কারন আপনার মহিলা রিং নেক টিয়া পাখিটি যদি এখনও মেটিং করতে আগ্রহী না হয় তবে সে পুরুষ রিং নেক পাখির ক্ষতি করতে পারে। তাই আপনি তাদের উপরে নজর রাখার পাশাপাশি এই সমস্যার সমাধান করতে পারেন। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে মহিলা রিং নেক পাখিটির ডানা কাটা দ্বারা এই সমস্যাটির সমাধান করা যায়। ৫/ আপনি আপনার রিংনেক পাখিকে ব্রিডিং করানোর কয়েক সপ্তাহ আগে আপনার রিংনেক পাখির জোড়াকে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ানো শুরু করুন এবং একটি মাল্টিভিটামিন কোর্স করান। ৬/ রিংনেক প্যারোট শীতকালে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রজনন অথবা ব্রিডিং করতে ভালোবাসে। যাইহোক, ঠান্ডা আবহাওয়া কখনো কখনো ডিমের সাথে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে, তাই আপনি যদি উষ্ণ আবহাওয়ায় আপনার পাখির বংশবৃদ্ধি করাতে চান তবে বসন্তকাল পর্যন্ত পাখির খাঁচায়  বাসা বাঁধবেন না। ভিউয়ারস আপনি চাইলে আমাদের অন্যান্য ব্লগ পোস্ট গুলোও পড়তে পারেনঃ টিয়া পাখির পালন পদ্ধতিটিয়া পাখির পালন পদ্ধতি ৭/ আপনি আপনার রিংনেক পাখির খাঁচায় একটি কাঠের বক্স অথবা মাটির হাড়ি লাগাতে পারেন। এি বক্সটি প্রায় ১০ ইঞ্চি লম্বা এবং ১০ ইঞ্চি চওড়া এবং কমপক্ষে ২০ ইঞ্চি গভীর হওয়া লাগবে। এই বাক্সটি পাখির খাঁচায় লাগালে তারা প্রজননে অথবা ব্রিডিং এর জন্য উৎসাহিত হবে। ৮/ কাঠের শেভিংয়ের মতো বিছানাপত্র দিয়ে নেস্ট অথবা ব্রিডিং বাক্সটি পূরণ করুন। ৯/ আপনার রিংনেক তোতা পাখির ব্রিডিং এর জন্য অপেক্ষা করুন। একবার নেস্টিং বাক্সটি পাখির বসবাসের উপযোগী হয়ে গেলে তারা এতেই ব্রিডিং করবে এবং এটি শীতকালীন প্রজনন মৌসুমে পৌঁছে গেলে রিংনেক প্যারোট স্বাভাবিকভাবেই তারা ব্রিডিং করবে। ১০/ এইবার মেল-ফিমেল পাখিকে ডিম ফোটাতে দিন। ১১/ ডিম থেকে বাচ্চা বের হওয়ার পর মেল-ফিমেল পাখি বাচ্চাদেরকে খাওয়াচ্ছে কি না অথবা যত্ন করছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে আর এর জন্য মেল-ফিমেল পাখিকে দেখুন। রিংনেক তোতাপাখিরা খুবই মিশুক এবং, অন্যান্য অনেক ধরনের তোতাপাখির মতো, রিংনেক তোতা ছানাকে পোষা প্রাণী হওয়ার জন্য মানুষের হাতে খাওয়ানো এবং লালন-পালনের প্রয়োজন হয় না। যাইহোক, অন্যান্য তোতাপাখির মত, রিংনেক মাঝে মাঝে তাদের ডিম ত্যাগ করবে, এই ক্ষেত্রে আপনাকে নিতে হবে। সো ভিউয়ারস আমাদের আজকের ব্লগ পোস্টটি এতুটুকুই যদি পোস্টটি ভালো লাগে আর এই বিসয়ে আরও জানতে ইচ্ছুক হন তাহলে আমাদের অন্যান্য ব্লগ গুলো পরতে পারেন আর ইউটিউব (Youtube) চ্যানেল ভিসিট করতে পারেন।

টিয়া পাখির পালন পদ্ধতি

Post by
আমাদের মধ্যে অনেকেই শখের বসতে নানান ধরণের পাখি পুষে থাকে। এদের মধ্যে আজকাল মানুষ যে পাখিটিকে বেশি পালন করা শুরু করেছে তা হোল টিয়া পাখি। এই প্রজাতির পাখিরা সত্যই এখন খুব পরিচিত এবং জনপ্রিয় পাখি। সবুজ টিয়া সাবলীলভাবে পোষা প্রাণী হিসাবে ধরা যায় এবং এটি কথা শিখার পর মানুষের মতো কথা বলতে পারে। এরা সাধারণত বনজঙ্গল, জলাশয় অঞ্চল, বিস্তীর্ণ লোকালয়, পাতা ঝরাবন, বৃক্ষবহুল এলাকা, পাহাড়ী এলাকা, চা-বাগান, চাষের জমি, পুরানো বাড়ি ইত্যাদি এলাকায় বেশি বসবাস করে। টিয়া পাখি পালন করে সফল হওয়া ব্যবসায়ীদের সংখ্যা অসংখ্য। আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটিকে ফলো করে আমাদের সাথেই থাকুনঃ যাচ্ছেতাই টিয়া পাখির খাঁচার মাপঃ আজকাল টিয়া পাখি (Parrot) পালার প্রবণতা এতটা বেরে গিয়েছে যে মানুষ এখন নিজের ঘরে অল্প জায়গার মধ্যে এই পাখিটি পালা শুরু করেছে। যেহেতু টিয়া পাখির খাঁচা খুব একটা বেশি জায়গা দখল করে না। তাই এই সবুজ টিয়া পাখির দাম এর কথা না ভেবে অনেকেই এই পাখিটিকে বিভিন্ন জায়গায় পালন করা শুরু করেছে। কেউ খাঁচায়-বারান্দায় রাখে আবার কেউ রুমে খাঁচা রেখে এই পাখি পালন করে। এই টিয়া পাখির খাঁচার মাপ হচ্ছে ৪/৪/৪ ফিট। এই খাঁচার মাপ বেশি দিতে পারলে আরও ভালো হয়। টিয়া পাখির খাবার তালিকাঃ (Parrot food) এই পাখিটি মানুষের মত কথা বলতে পারলেও এই পাখিটি মানুষের মত সব ধরণের খাবার গ্রহন করেতে পারেনা।(টিয়া পাখির খাবার) অন্যান্য পাখির মত এই পাখিরও নির্দিষ্ট কিছু খাবার রয়েছে যার তালিকা নিন্মে দেয়া হল আর এই তালিকার মধ্যে আমরা টিয়া পাখির সব ভালো খাবার (Best Parrot Food) এর নাম উল্লেখ করছিঃ ১/সিড মিক্স (Seed mix) ২/ধান ৩/সূর্যমুখীর বীজ (Sunflower seeds) ৪/কুসুম বীজি ৫/চিনা বা কাউন (China) ৬/মিলেট মিক্স সিড ৭/ হেম্পসীড ৮/ ক্যানারি ৯/ কালো জিরা টিয়া পাখির নরম খাবারের (Soft Food) তালিকাঃ টিয়া পাখির প্রাথমিক খাবারের (Parrot Food) বাইরে যে সকল খাবার পাখিকে একটু বেশি ভিটামিন যেমন কেলসিয়াম, পটাসিয়াম, মিনারেল, প্রটিন ইত্যাদি দিতে পারে তাদেরকে আমরা নরম খাবার এর মধ্যে রেখেছি। এই নরম খাবার বা Soft Food এর তালিকায় যে সকল খাদ্য পরেছে তাহোল ১/ কলমি শাক /আলু শাক /পালং শাক /লাল শাক ইত্যাদি খাবার পাখির শরীরে অনেক বেশি পরিমানে ক্যালসিয়াম এর যোগান দেয়। তাই এই শাঁক গুলো পাখিকে সপ্তাহে ১দিন করে দিতে পারেন। এই শাঁক গুলো পাখির শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে তাই গ্রীষ্মকালীন সময়ে পাখিকে বেশি বেশি শাঁক খাওাতে হবে। ২/ বিভিন্ন সবজি যেমন গাজর, মিস্টি কুমড়া, পেঁপে, বরবটি, শশা, কপি, করল্লা,কাঁচা মরিচ একসাথে মিশিয়ে সিদ্ধ করে সপ্তাহে ১দিন আর কাঁচা সপ্তাহে ১দিন দিবেন। যার ফলে পাখির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বারবে আর পাখির শরীরও ঠাণ্ডা থাকবে। পাখির শরীরে মেদ বা চর্বি কম হবে। সবুজ শাঁক সবজি সকল ধরণের পাখির শরীরকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এই সবজি গুলোর মধ্যে সবুজ কাঁচা মরিচ টিয়া পাখির সবচেয়ে বেশি পছন্দের খাবার। এরা এই কাঁচা মরিচকে আস্তা খেতে পছন্দ করে। ৩/ গম, ছোলা, ডাবলি, সবুজ মুগ ডাল ভিজিয়ে নরম করে টিয়া পাখিকে সপ্তাহে ২দিন করে দিতে হবে। ৪/ বিভিন্ন ডাল জাতীয় খাবার অথবা মিক্সসিড যেমন্ মুগ ডাল, বুটের ডাল ,মশুর ডাল সিদ্ধ করে ১৫দিন পর পর ১দিন অথবা ১ বার করে দিতে হবে। এবং সিদ্ধ ভুট্টা ১৫দিনে ২দিন করে দেওয়া যাবে, আর আস্তা ভুট্টা টিয়া পাখিদের প্রিয় খাবার। ৫/ নিম পাতা, সজনে পাতা, এলভেরা, তুলসী পাতা, থানকুনি পাতা, ধনে পাতা, লেটুস পাতা এইগুলো মাঝে মাঝে পাখিকে দিতে হবে। নিম পাতা, সাজনে পাতা, তুলসী পাতা এইগুলো পাখির নানান ধরণের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। ৬/ গরম পড়লে ডাবের পানি, লেবুর পানি, গ্লুকোজের পানি বা সেলাইন যেকোনো একটা পানিয় পাখিকে দিতে হবে। ফল বা ফলের ব্লেন্ড করে পাখিকে জুস হিসাবে দিতে পারেন। এইগুলো পাখি অনেক মজা করে খায়। আরও চাইলে এক কাপ পানিতে এক চিমটি পরিমাণ টক দই মিশিয়ে মাসে তিনদিন করে পাখিকে দিতে পারেন। টিয়া পাখির যত্নঃ টিয়া পাখিকে সপ্তাহে একদিন টীমসেন ঔষধ ১ লিটার পানিতে ১ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। রাতে পাতলা সুতি কাপড় দিয়ে পাখির খাঁচাকে ঢেকে রাখতে হবে আর সামান্য ফাঁকা রাখতে হবে। বৃষ্টির পানি আর অতিরিক্ত রোদ থেকে পাখিকে সরিয়ে রাখতে হবে। পাখিকে খোলা মেলা আলো বাতাস পূর্ণ জায়গায় রাখতে হবে। সপ্তাহে একদিন করে পাখির খাঁচার ট্রে পরিষ্কার করতে হবে। ইঁদুর, বিড়াল, কাক, মশা, ফ্যান ইত্যাদি থেকে পাখিকে দূরে রাখতে হবে। মাঝে মাঝে ফ্যান বন্ধ করে দরজা জানালা লাগিয়ে পাখিকে বদ্ধ রুমে ছেড়ে দিবেন যার ফলে পাখি উড়া উড়ি করতে পারবে। আর উড়া উড়ি করলে পাখির সাস্থ্য ভালো থাকবে। গরমে সপ্তাহে তিনদিন একটি বড় বাটিতে পাখির গোসলের পানি দিতে হবে। আর শীতে একদিন দিলেই হবে। আর পানি সকাল ১০/১১টার দিকে দিয়ে ১/২টার দিকে সরিয়ে ফেলতে হবে। এই পানিতে নিমপাতা, এলভেরা বা পেয়ারা পাতা দিলে পাখির পালক সুন্দর থাকবে। টিয়া পাখির দাম কতঃ (Parrot price in Bangladesh) স্থান ভেদে আর মিউটেশন ভেদে এই পাখির দাম বিভিন্ন রকম হতে পারে। যেহেতু টিয়া পাখির আয়ুকাল বা আয়ুসীমা অনেক বেশি তাই এদের পালার মত লোকের কোন অভাব নেই (টিয়া পাখির গর আয়ু বা Parrot Iifespan ৯৫ বছর)। আর এই পাখির কালার কম্বিনেশনের জন্য দিন দিন এই পাখির চাহিদা ও দাম বেড়েই যাচ্ছে।  আপানারা চাইলে আরও পড়তে পারেনঃ বাজরিগার পাখির খাঁচার মাপ/বাজরিগার পাখির খাঁচার মাপ

কথা বলা পাখি কোন গুলো 

Post by
হেলো ভিউয়ারস আজকে আমরা কথা বলতে পারে এমন সব পাখি নিয়ে আলোচনা করবো। আলোচনা করবো সেসব পাখি নিয়ে যাদের চাহিদাও পাখি পালকদের মধ্যে সবসময়ই অনেক বেশি থাকে। কথা বলা পাখির প্রতি সব সময়ই পাখি পালকদের আলাদা একটা আকর্ষণ রয়েছে। আমাদের আজকের তালিকার মধ্যে যে সকল পাখি পরেছে সেই সব পাখির নাম হচ্ছে সবুজ-লাল তোতা, রিংড তোতা, ম্যাকাও, কাকাতুয়া পাখি, ময়না পাখি ইত্যাদি। তো চলুন কথা না বারিয়ে শুরু করা জাক আমাদের আজকের এই ব্লগ পোস্টটি। কথা বলা আভিজাত্য সবুজ-লাল তোতা পাখিঃ পাপুয়া নিউ গিনির এই স্থায়ী বা বসবাসকারী পাখিকে বিশ্বের অন্যতম সুন্দর তোতা পাখি হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এই আভিজাত্য সবুজ-লাল তোতা পাখিগুলোর মধ্যে পুরুষ পাখিদের গায়ে একটি উজ্জ্বল সবুজ রঙ থাকে, এবং স্ত্রী পাখি গুলোতে পালকটি লাল-ভায়োলেট হয়। পুরুষদের ঠোঁটের মধ্যে একটি কমলা-হলুদ বর্ণ থাকে এবং স্ত্রী পাখিদের মধ্যে কালো বর্ণ থাকে। আর এই পাখিগুলো বাড়িতে রাখার জন্য একেবারেই আদর্শ, কারণ এরা খুব শান্ত এবং বন্ধুত্বপূর্ণ প্রকৃতির হয়ে থাকে। এর নিজেদের মালিককে অনুকরণ করে নানা শব্দ শিখে এবং আস্তে আস্তে তারা এইভাবে কথা বলা শিখে ফেলে। আপনি চাইলে আমাদের অন্যান্য ব্লগ গুলো পড়তে পারেনঃ জেব্রা ফিঞ্চ পাখি-Zebra finch কথা বলা ভারতীয় রিংড তোতা পাখিঃ নেকলেস তোতা পোষা পাখিটি প্রাণী হিসাবে শতাব্দী ধরে মানুষের সাথে বসবাস করে তাই আজ এটি একটি প্রিয় সহচর পাখি হিসাবে আমাদের মাঝে রয়ে গেছে। এটি একটি স্বভাবজাত পাখি যার জন্য অনেক মনোযোগ প্রয়োজন। তবুও, রঙিত এই তোতা পাখিটি  মালিককে অনেক বেশি তার প্রতি আকর্ষণীয় করে তুলে আর আনন্দিত করে। এই ভারতীয় রিংড তোতা পাখির যে সকল গুণাবলী রয়েছে তা হল- খেলাধুলায় প্রাচুর্য এবং কথা বলার দুর্দান্ত ক্ষমতা দিয়ে আপনাকে তার প্রতি আরও বেশি অবাক ও আকর্ষণীয় করে তুলবে, এই পাখিকে আপনাকে অন্যান্য পাখির মত বেশি সময় দিতে হবে না। কথা বলা ম্যাকাওঃ পৃথিবীর সবচেয়ে দামি পাখি হচ্ছে ম্যাকাও। এই ম্যাকাও পাখিও পেরাকিট জাতীয় অথবা তোতা পাখির মত। এই পাখি গুলো যখন কথা বলে তখন মনে হয় কথা বলাটা এই পাখিদের অধিকার। পোষ্য পাখিদের মধ্যে ম্যাকাও হল সবচেয়ে বড় আর জনপ্রিয় ধরণের একটি পাখি ৷ তাই ম্যাকাওকে স্বপ্নের পাখি বা ড্রিম বার্ডও বলা হয় ৷ তবে ম্যাকাও হচ্ছে খুবই দামি একটি পাখি ৷ সাধারণত ১৯ মিউটেসনের ম্যাকাও পাখিটি হয়ে থাকে ৷ কিন্তু এখন এদের মধ্যে খালি ৬ ধরণের ম্যাকাও পাখি পাওয়া যায় আর বাকি প্রজাতির ম্যাকাও পাখি গুলো বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। পোষ্য হিসেবে আমরা যে ম্যাকাও গুলো দেখে থাকি সেগুলো হাইব্রিড হয়ে থাকে। এই পাখি গুলো নিজের মালিকের কাছে থেকে কথা শিখার পর ভালোই কথা বলতে পারে। সাধারণত নানা ধরণের ম্যাকাও পাখি পাওয়া যায়। উল্লেখযোগ্য হল লাল আর সবুজের মিশ্রন,হলুদ-লালের মিশ্রন আর নীল এবং সোনালী রঙের মিশ্রন৷ গাঢ় উজ্জ্বল রঙের জন্যই এদের দেখতে অনেক ভালো লাগে ৷ ম্যাকাও-এর আকার হয় মোটামুটি ১ থেকে ৩ ফুট ৷ এদের গড় আয়ু হয় ৫০ বছর এর কাছাকাছি । আপনি চাইলে আমাদের অন্যান্য ব্লগ গুলো পড়তে পারেনঃ Birds of Bangladesh কথা বলা কাকাতুয়া পাখিঃ কাকাতুয়া পাখি হচ্ছে পাখালদের কাছে প্রিয় একটি নাম। এই কাকাতুয়া পাখির দাম তোতা পাখির মত না হলেও এর দাম কিন্তু কম নয়। ২১ টি প্রজাতির মধ্যে প্রায় সকল কাকাতুয়ারই কম বেশী আকর্ষণীয় পালক, ঝুটি এবং শক্তিশালী বাঁকানো ঠোঁট রয়েছে। এই পাখিদের কথা বলা এবং অনুকরনের অসাধারণ দক্ষতা রয়েছে। কাকাতুয়ার অধিকাংশ প্রজাতিই সাদা রং-এর হয়ে থাকে। কিন্তু কিছু প্রজাতির পাখির গায়ের রঙ ধূসর, খয়েরী, উজ্জল কালো বর্ণের হয়ে থাকে। সব থেকে বড় কাকাতুয়া পাখির দৈর্ঘ্যে ৩০ থেকে ৬০ সেন্টিমিটার এবং এদের ওজন ৩০০ থেকে ১,২০০ গ্রাম হয়ে থাকে। এরা অনেক সহজ লভ্য হয়। কথা বলা ময়না পাখিঃ ময়না পাখির নাম শুনেনি এমন মানুষ বোধকরি আমাদের দেশে খুবই কম আছেন। সারা পৃথিবীতে এক বিশাল এলাকাজুড়ে এই পাখির আবাসস্থল প্রায় ৩৯ লাখ ৯০ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এদের আবাস। ময়না মাঝারি কালো রঙের পাখি। এদের দৈর্ঘ্য কমবেশি ২৯ সেমি। ডানা ১৭ সেমি, ঠোঁট ৩ সেমি, পা ৩.৫ সেমি, লেজ ৮ সেমি ও ওজন ২১০ গ্রাম। ময়না পাখিরা অনেক আকর্ষণীয় কারণ এরা তাদের মালিককে অনেকটা অনুকরণ করে। এরা তাদের মালিক থেকে কথা বলাও শিখে থাকে তাই এদের চাহিদা অনেক বেশি। কিছু বছর পূর্বে এদের এতটা চাহিদা না থাকলেও এখন এদের চাহিদা অনেক বেরে গিয়েছে । সো ভিউয়ারস আমাদের আজকের ব্লগ পোস্টটি এতুটুকই যদি আমাদের পোস্ট টি ভালো লেগে থাকে তাহলে আমাদের ব্লগ পোস্ট টিকে লাইক করে আমাদের পূর্বের পোস্ট গুলো পড়তে পারেন।

Birds of Bangladesh

Post by
বাংলাদেশে পাখি (Birds of Bangladesh) দেখা আপনি যা কল্পনা করতে পারেন তার বাইরে। এখানে বসবাসকারী, ক্ষণস্থায়ী এবং মাঝে মাঝে দেখা যাওয়া পাখির সম্পদ আমাদের অঞ্চলটিকে সারা বিশ্বের পক্ষীবিদদের জন্য স্বর্গে পরিণত করেছে। আর বুলবুল, জে-বার্ড, রবিন, সাধারণ খেলার পাখি, কোকিল, বাজপাখি, হাঁস, পেঁচা এবং আরও অনেক ধরণের পাখি হল বাংলাদেশের প্রকৃতপক্ষে বসবাসকারী পাখি। আপনি চাইলে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি ঘুরে আসতে পারেনঃযাচ্ছেতাই বাংলাদেশের পাখির (Birds of Bangladesh) তালিকায় মোট ৬৫০টি পাখিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সমস্ত পাখিদের মধ্যে গত দুই শতকে অনেক পাখি প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে তাদেরকে বাদ দিয়ে এখন বাংলাদেশে মোট ৬২০টি পাখি রয়েছে। এই ৬৫০টি পাখির মধ্যে প্রায় ২৯ ধরণের পাখির বাংলাদেশে এখন না পাওয়া গেলেও সারা বিশ্বে পাওয়া যায়। এদের মধ্যে ১ ধরণের পাখি সারা বিশ্ব থেকে বিলুপ্ত হয়েগিয়েছে সেই পাখিটির নাম হলঃ গলাপি শির হাঁস। এই ৬২০টি প্রজাতির মধ্যে ১৪৩টি প্রজাতির পাখি বাংলাদেশে 'অনিয়মিত' আখ্যায়িত হয়েছে, কারণ কালেভদ্রে এদের দেখা যায়। বাকি ৪৭৭ প্রজাতির পাখি বাংলাদেশে (Birds of Bangladesh) নিয়মিত দেখা যায়। এই ৪৭৭ প্রজাতির মধ্যে ৩০১টি বাংলাদেশের 'আবাসিক' পাখি যেগুলো স্থায়ীভাবে এ দেশে বাস করে। বাকি ১৭৬টি বাংলাদেশের 'পরিযায়ী' পাখি যেগুলো খণ্ডকালের জন্য নিয়মিতভাবে এ দেশে থাকে। এই ১৭৬ প্রজাতির নিয়মিত আগন্তুকের মধ্যে ১৬০টি শীতে এবং ৬টি গ্রীষ্মে বাংলাদেশে থাকে; বাকি ১০টি বসন্তে এদেশে থাকে যাদেরকে 'পান্থ-পরিযায়ী' নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ৭৪৪টি পাখির মধ্যে বাকি রইল ১৯৪টি পাখি। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন লেখক বাংলাদেশে এ সব পাখির অস্তিত্ব থাকতে পারে বললে অনুমান করেছেন, কিন্তু কোন অকাট্য প্রমাণ দেখাতে পারেননি বা পরবর্তীতে এদেরকে এ অঞ্চলে কখনো দেখা যায় নি। এসব পাখিকেও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আজকে আমরা সেই সব পাখি নিয়ে আলোচনা করবো যা আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে দেখতে পাইঃ দোয়েল পাখি (Birds of Bangladesh): দোয়েল পাখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারতের জনবসতির আশেপাশে দেখতে পাওয়া একটি জনপ্রিয় পাখি। এছাড়াও এর আকার-আকৃতি একে সবার থেকে ভিন্ন ও আলাদা করে রেখেছে। দোয়েল (Birds of Bangladesh) হচ্ছে অস্থির ধরণের পাখি। দোয়েল পাখিকে অস্থির বলার কারণ হচ্ছে এই পাখিটিকে সর্বদা গাছের ডালে বা মাটিতে লাফাতে দেখা যায় খাবারের খোঁজে। এই পাখিটি বাংলাদেশের জাতীয় পাখি। আর এই পাখিটির কলকাকলি খুব ভোরেই শোনাযায়। কালো তিতির (Birds of Bangladesh): কালো তিতির বা শেখ ফরিদ বা কালা তিতির এই পাখিটির প্রধান আবাসস্থল হচ্ছে আফগানিস্তান, ইসরাইল, ভুটান, জর্ডান, পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশ আরও বিভিন্ন দেশ রয়েছে। বাংলাদেশের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের পাতাঝরা বন আর রাজশাহী বিভাগের উত্তর প্রান্তের গ্রামঞ্চলে এই পাখিটিকে যায়। এই পাখিটি প্রায় এখন সবদেশ থেকেই বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। তাই এই প্রজাতির পাখিটিকে Least Concern বা আশঙ্কাহীন বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই কালো তিতির পাখিকে কালচে বাদামী ভূচর পাখিও বলা হয়ে থাকে। এদের দৈর্ঘ্য কমবেশি ৩৪ সেন্টিমিটার, ওজন ৪৩০ গ্রাম, ডানা ১৫ সেন্টিমিটার, ঠোঁট ২.৪ সেন্টিমিটার, পা ৪.৮ সেন্টিমিটার ও লেজ ১০ সেন্টিমিটার। (Birds of Bangladesh) লালবুক কাঠকুড়ালি (Birds of Bangladesh): এই পাখিটি ভারতের উপমহাদেশে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার হিমালয় পর্বতমালায় পাওয়া যায়। এটি বাংলাদেশ (Birds of Bangladesh), ভুটান, কম্বোডিয়া, হংকং, ভারত, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, মায়ানমার, নেপাল, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত। এই পাখিটি বিশ্বের সব জায়গা থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেলেও এখনো ভারতের মেঘালয় রাজ্যে পাখিটি পাওয়া যায়। লালবুক কাঠকুড়ালি পাখিটি ১৯ থেকে ২৩ সেমি(৭.১থেকে ৯.১ইঞ্চি)। পুরুষ পাখির ঝুটি লাল ও স্ত্রী পাখির কালো। উভয় পাখির ডানা রং কালো ও সাদা। বড় বসন্ত বৌরি (Birds of Bangladesh): বাংলাদেশ (Birds of Bangladesh), ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস, ভিয়েতনাম এবং চীনের দক্ষিণাঞ্চল এই বড় বসন্ত বৌরি পাখিটির প্রধান বিচরণস্থল। এই পাখিটির সারা শরীর কলাপাতা-সবুজ।  স্ত্রী ও পুরুষ পাখি দেখতে একই রকম, কেবল কমবয়েসীগুলোর চেহারায় বয়স্কদের লাল-নীলের চাকচিক্য থাকে না। দৈর্ঘ্যে কমবেশি ২৫ সেন্টিমিটার।বড় বসন্ত বৌরির মুখাবয়ব, গলা ও বুকের উপরের দিক দৃষ্টি-আকর্ষী গাঢ় আসমানী নীল- যার জন্য এই প্রজাতিটির ইংরেজি নাম দেয়া হয়েছে Blue-throated Barbet। বড় বসন্ত বৌরি সাধারণত ছোট ছোট দলে একসাথে থাকে। অনেকসময় ৩০-৪০ জনের বড়বড় দলেও থাকতে দেখা যায়।(Birds of Bangladesh) কাও ধনেশ (Birds of Bangladesh): কাও ধনেশ পাখি হচ্ছে কাউ ধনেশ বা পাকড়া ধনেশ বিউসেরোটিডি পরিবার বা গোত্রের অন্তর্গত। এটি একটি মোটামুটি বৃহদাকার ধনেশ প্রজাতির পাখি। এই পাখিটির ইংরেজি নাম হচ্ছে Oriental Pied Hornbill বা Indian Pied Hornbill। এই পাখিটির দৈর্ঘ্য হচ্ছে ৯০ সেন্টিমিটার। এই পাখিটির ডানার পালকের ডগা এবং লেজের বাইরের পালকের আগার দিক সাদা। এই পাখির গলার নিচের পালকহীন নীল চামড়ার পট্টি থাকে। চোখের চারপাশে ও গলায় নীলাভ-সাদা চামড়া দেখা যায়। পা ও পায়ের পাতা স্লেট রঙের সবুজ এবং এই পাখির চোখের তারা লালচে।(Birds of Bangladesh) আপনি চাইলে আরও পড়তে পারেনঃ বাজরিগার (Bajrika Pakhi) এর খাবার তালিকা নীলকণ্ঠ পাখি (Birds of Bangladesh): এই পখিটির পোশাকি নাম হচ্ছে “ইন্ডিয়ান রোলার” আর এদের বিজ্ঞানসম্মত নাম “কোরাসিয়াস বেনঘালেনসিস”। আদরের নাম নীলকণ্ঠ পাখি। ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন অংশে এই পাখিদের পাওয়া যায়। মূলত ঘাসজমি ও ঝোপঝাড়ের বাসিন্দা এই পাখি। আকারে ছোট হলেও এই পাখিটি দেখতে বাহারি। বাংলার ঘাসজমিতে এই পাখির একটি প্রজাতিকে দেখে কার্ল লিনেয়াস এর নামকরণ করেছিলেন। এর বৈজ্ঞানিক নাম ‘কর্ভাস বেঙ্গালেনসিস’। ২৬ থেকে ২৭ সেন্টিমিটার লম্বা এই পাখির দেহ, লেজ ও ডানায় উজ্জ্বল নীল রঙের জৌলুস দেখার মতো। ভারতে যে নীলকণ্ঠ পাওয়া যায়, তার গলার কাছের অংশটি কিন্তু হাল্কা বাদামি। বরং, ইউরোপে এই পাখির যে প্রজাতি দেখা যায়, তাদের গলা ও বুকের অংশ নীল।এশিয়ার বিস্তৃত অংশে পাওয়া যায় নীলকণ্ঠ পাখি।(Birds of Bangladesh) সো ভিউয়ারস আমাদের আজকের ব্লগ পোস্টটি এতুটুকই যদি ব্লগটি ভালো লেগে থাকে এবং এই রকম আরও ব্লগ পোস্ট পড়তে চাইলে আমাদের ওয়েবসাইট টি ভিসিট করতে পারেনঃhttps://bajrigar.info/
Back to Top